১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

দরিদ্র খুঁজতেই ব্যয় ২০১০ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ

দরিদ্রের পেটে ভাত নেই। কিন্তু তাদের নাম খুঁজতেই ব্যয় হাজারো কোটি টাকা। এর মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দরিদ্র খোঁজার জরিপে খরচ হবে ১ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। একই কাজে অর্থ বিভাগের অারেক প্রকল্পে ব্যয় হবে ২১৬ কোটি টাকা; তারা বানাবে ‘ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে খোঁজা হবে ১ কোটি ৩৫ লাখ দুস্থকে। থাকবে ‘ফ্যামিলি স্মার্ট কার্ড’। কিন্তু পরামর্শক ও ভ্রমণ খাতেই উড়বে শত শত কোটি টাকা। আর অর্থ বিভাগের প্রকল্পেও পরামর্শক খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮ কোটি টাকা।

খাতা-কলমে সুনির্দিষ্ট কোনো তালিকা নেই সরকারের। অথচ একের পর এক নেওয়া হচ্ছে এসব প্রকল্প। অন্যদিকে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে চলছে চরম বিশৃঙ্খলা। আসল দুস্থদের বরাদ্দে ভাগ বসাচ্ছেন বিত্তশালীরা। বিশ্বব্যাংক বলছে, এসব সুবিধার ৩১ শতাংশই পাচ্ছেন ধনীরা। কিন্তু ফাঁকফোকর বন্ধের উদ্যোগগুলো দেখেনি আলোর মুখ।

এর আগে এক দফা জলে গেছে বড় অঙ্কের টাকা। দরিদ্র খুঁজতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অপচয় করেছে ৬৪২ কোটি টাকা। এনএইচডি প্রকল্পের সেই বিশাল তথ্যের ডেটাবেজ আসেনি কোনো কাজে। ভুলের সেই চক্র থামেনি এখনো। সমাজকল্যাণ ও অর্থ— দুই মন্ত্রণালয় এখন একই কাজের জন্য বানাচ্ছে দুটি আলাদা ডেটাবেজ। যদিও অর্থনীতিবিদরা একে সরাসরি অর্থের অপচয় হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, শেষ পর্যন্ত হয়তো এই হ-য-ব-র-ল মেটাতে আবার এগিয়ে আসবে বিবিএস। আবার নেওয়া হবে নতুন কোনো কোটি টাকার প্রকল্প।

যদিও নতুন রেজিস্ট্রি তৈরির উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে বিশ্বব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদন প্রকাশ করতে গিয়ে এ বিষয়ে প্রশংসা করেন সংস্থাটির বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেম। প্রতিবেদনে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অপব্যবহারের তথ্যও উঠে এসেছে। দরিদ্র খুঁজতে নতুন তালিকার বিষয়ে বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন আগামীর সময়কে বলছিলেন, ‘একই ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি দুই মন্ত্রণালয় করলে সৃষ্টি হতে পারে বিতর্ক। কারণ কোনটা সঠিক বলে গণ্য হবে? অর্থনীতিবিদরা বলবেন এটা ঠিক, এনজিওরা বলবেন ওটা ঠিক। এ ছাড়া নীতিনির্ধারণেও সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি তৈরির উদ্যোগ টেকসই করতে হলে বিবিএসের মাধ্যমেই করা উচিত ছিল। কেননা রেজিস্ট্রি তো স্থায়ী বিষয় নয়, এটি সময় সময় আপডেট হবে। এ রকম চলতে থাকলে বিতর্ক এড়াতে দুই মন্ত্রণালয়ের তালিকা সমন্বয় করতে ভবিষ্যতে বিবিএস হয়তো বলবে আরেকটা প্রকল্প নেওয়া হোক।’

See also  চট্টগ্রামে বিশেষ অভিযানে গ্রে ফতার ৪৯৬

‘অযথা ইচ্ছা করেই এমন একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। দেখা যাবে কাজের কাজ কিছুই হবে না’— যোগ করলেন এই অর্থনীতিবিদ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সফল করতে সংশোধন করা হয়েছে চলমান ‘স্ট্রেনদেনিং সোশ্যাল প্রটেকশন ফর ইমপ্রুভ রেজিলিয়েন্স, ইনক্লুশন অ্যান্ড টার্গেটিং’ প্রকল্প। কেননা, এতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য দরিদ্রদের তালিকা তৈরির কাজ। অর্থাৎ জরিপের মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্রদের খুঁজে বের করে তৈরি করা হবে রেজিস্ট্রি। প্রকল্পটির মূল অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৯০৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এখন প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে ১ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬৯৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ১ হাজার ৫১৪ কোটি ১১ লাখ এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ থেকে খরচ করা হচ্ছে ১ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা। প্রকল্পটির মূল মেয়াদ ছিল ২০২৫-এর জুলাই থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত। সেটিই থাকবে। এটি বাস্তবায়ন করবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় সমাজসেবা অধিদপ্তর। প্রকল্পের অধীনে প্রধান কার্যক্রমগুলো হলো— জরিপের তথ্য সংগ্রহকারীদের জন্য ব্যয় ৮২১ কোটি ৯০ লাখ, ফ্যামিলি স্মার্ট কার্ড তৈরির সরঞ্জামে ৫৫০ কোটি, ১৮টি পরামর্শক ফার্মের জন্য ১৮৮ কোটি ৮৪ লাখ এবং ব্যক্তি পরামর্শকের পেছনে যাবে ৪০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আরও আছে— স্থানীয় প্রশিক্ষণে ৮০ কোটি, ভ্রমণ ব্যয় ১০ কোটি, উৎসব ব্যয় ৫০ কোটি, ডেটা স্টোরেজ খাতে ১২ কোটি এবং প্রিন্টিং অ্যান্ড বাইন্ডিংয়ের জন্য খরচ ১২ কোটি টাকা।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বলছে, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি তৈরি। এর মাধ্যমে দরিদ্রদের জাতীয় সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থার সেবা সম্প্রসারণ ও সরবরাহ শক্তিশালী করা হবে। এ ছাড়া দরিদ্রদের জন্য নগদ স্থানান্তর (ক্যাশ ট্রান্সফার) কর্মসূচিগুলো শক্তিশালী ও জীবনমান উন্নয়নের জন্য জীবিকা সহায়তা সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো, সরকারি চারটি নির্বাচিত ভাতার কর্মসূচির সহায়তা ১ কোটি ৩৫ লাখ সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছানো, যার ৬০ শতাংশ নারী। সব সুবিধাভোগী শতভাগ ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রির মাধ্যমে নির্বাচিত হবে। সেফটি নেট সুবিধাভোগীদের ৭৫ শতাংশ হবে দারিদ্র্য স্কোর অনুসারে নির্বাচিত। জীবিকা সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে ২৫ লাখ সুবিধাভোগীকে সুবিধা পৌঁছানো, যার ৫০ শতাংশ হবে নারী। জাতীয় অগ্রাধিকার স্ট্র্যাটেজির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং ২০৪১ সালের উন্নত দেশের ভিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, সরকারের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দরিদ্রদের জন্য জাতীয় সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থার প্রাপ্যতা সম্প্রসারণ এবং সেবাদান শক্তিশালীকরণে সহায়তা দেওয়া হবে। পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রকল্পটি অনুমোদনের পর সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের বিষয়ে নতুন নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। ২০২৬ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ডসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় চলমান প্রকল্পের সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রম সমন্বয়পূর্বক বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়।

See also  বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায়, আমাদের ওপর আস্থা রাখুন: আইনমন্ত্রী

অন্যদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে ‘ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ নামে অন্য একটি প্রকল্প। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে তৈরি হচ্ছে এই ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি। সেই সঙ্গে একাধিক চ্যানেলের মাধ্যমে অভিযোগ ট্র্যাক করার জন্য কার্যকর এবং অ্যাক্সেসযোগ্য সিস্টেম, উন্নত জবাবদিহি নিশ্চিতে হাতে নেওয়া হচ্ছে ‘সোশ্যাল প্রটেকশন ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন’ (এসপিডিটিসি) প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২১৬ কোটি ৪৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ১১৯ কোটি ৭ লাখ ৪৪ হাজার এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ থেকে ৯৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবিত এ প্রকল্পে পরামর্শক খাতেই খরচ ধরা হয়েছে ৬৮ কোটি টাকা। এ খাতে এত বেশি ব্যয় ধরার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল পরিকল্পনা কমিশন। সম্প্রতি প্রকল্পটি নিয়ে বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (এসপিইসি) সভায় এ বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, প্রস্তাবে পরামর্শক খাতে প্রায় ৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে এই ব্যয়ের যৌক্তিকতা এবং কোন ধরনের পরামর্শক নিয়োগ করা হবে (দেশীয় বা বৈদেশিক), সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় এসপিইসি সভায়। এ ছাড়া সেমিনার বা কনফারেন্স খাতে বৈদেশিক ঋণসহ প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়। এসপিইসি সভায় বলা হয়, এর আগে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশেষ ভাতা বাদ দেওয়া হয়নি। বাদ না দেওয়ার কারণ সম্পর্কে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। প্রক্রিয়াকরণ শেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০৩১ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে অর্থ বিভাগ। প্রকল্পের মূল কার্যক্রম হলো— উন্নত লক্ষ্যমাত্রা, সম্প্রসারিত কভারেজ, আন্তঃকার্যক্ষমতা প্রতিষ্ঠা, লাইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় উন্নত এবং জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিতরণব্যবস্থা শক্তিশালী করা। এ ছাড়া সরকারি প্ল্যাটফর্মগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন তথ্যবিনিময় এবং একত্রীকরণে সক্ষম করা, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, স্বয়ংক্রিয় যাচাইকরণ এবং ম্যানুয়াল ত্রুটি কমানোর মাধ্যমে সুবিধাভোগীর লক্ষ্যমাত্রা, সুবিধাভোগী বাছাই ও নির্বাচন, পরিষেবা সরবরাহে দক্ষতা এবং স্বচ্ছতা বাড়ানো হবে। ভবিষ্যতের নীতি এবং প্রোগ্রাম ডিজাইন পরিচালনার জন্য বিস্তর ডেটা বিশ্লেষণ, ভিজ্যুয়ালাইজেশন সরঞ্জাম এবং গবেষণা আউটপুটের মাধ্যমে ডেটাচালিত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা তৈরি করা হবে। একক রেজিস্ট্রি, জিটুপে পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, লাইন মন্ত্রণালয় সিস্টেমসহ এমআইএস অবকাঠামো আপগ্রেড, রক্ষণাবেক্ষণ এবং টেকসই করা হবে। পাশাপাশি কাঠামোগত প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) পরিচালনার জন্য সরকারি কর্মীদের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। সে সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষার ভবিষ্যতের পথের জন্য ডকুমেন্টেশন এবং প্রকাশনা তৈরি করা হবে।

See also  ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীকে রিমান্ডে চেয়েছে পুলিশ

দরিদ্রের তথ্য সংগ্রহে এর আগে অপচয় হয়েছিল ৬৪২ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডেটাবেজ (এনএইচডি) প্রকল্প হাতে নেয় বিবিএস; কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি আর হয়নি। তাতে কিন্তু খরচ হয়েছিল ৬৪২ কোটি টাকা। প্রকল্পটিতে বাড়িয়ে ব্যয় করা হয়েছিল ৭২৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এতে মাঠপর্যায়ে তথ্য হালনাগাদের পর ডেটাবেজের ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত এমআইএস করতে জেরক্স ইন্ডিয়া কোম্পানি নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয় বিবিএস। প্রতিষ্ঠানটি ১৪ জেলার তথ্য আংশিক সংশোধন এবং ৫০টি জেলার ডেটা অসমাপ্ত রেখেই ১১২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা তুলে নিয়ে চম্পট যায়। ফলে শত শত কোটি টাকা খরচের পরও দরিদ্র মানুষের তালিকা আর হয়নি।

দরিদ্র খোঁজার নতুন প্রকল্প নিয়ে আগামীর সময়ের কথা হয় পরিসংখ্যান ও তথ্যব্যবস্থা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকারের সঙ্গে। তিনি বলছিলেন, ‘বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সক্ষমতা আছে। কিন্তু সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দিয়েছে। সেক্ষেত্রে তারা আইন অনুযায়ী আমাদের কাছে অনুমতি নিয়ে জরিপ পরিচালনা করছে।

আগের জরিপগুলোতে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে পরিসংখ্যান ও তথ্যব্যবস্থা সচিব বললেন, ‘আমি নতুন এসেছি। তাই আগের জরিপ সম্পর্কে তেমন কিছু বলতে পারছি না।’

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে ঢাবি শিক্ষার্থী নাফিজ ও তার পরিবারের ৬ জন নি হত

১

রাজনীতিবিদরা ইতিহাস লেখায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত হয়েছে: স্পিকার

২

দুর্গাপূজায় অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা-উচ্চ শব্দে মাইক নিষিদ্ধ করতে নির্দেশনা

৩

সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ জায়গা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী, আজিমপুরে অপরিচ্ছন্নতায় অসন্তোষ

৪

নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আওতায় আসবে: কৃষিমন্ত্রী ইয়াছিন

৫

পুরো পরিবারের ওমরাহ যাত্রার আনন্দ পরিণত হলো বিষাদে

৬

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক

৭

ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

৮

দরিদ্র খুঁজতেই ব্যয় ২০১০ কোটি টাকা

৯

কুমিল্লায় যুবদল কর্মী কাউসার হত্যা: প্রধান অভিযুক্ত তৌহিদ গ্রেপ্তার

১০

টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে নিহত বেড়ে ১০, ছয়জন একই পরিবারের

১১

ফুটবলে নতুন প্রযুক্তির ছোঁয়া, এসে গেল ‘ইলেকট্রনিক কার্ড’

১২

সরকার পতন চাই, তবে বাংলাদেশ বা নেপালের মতো করে নয়: প্রকাশ রাজ

১৩

শিশু হাসপাতালে কক্ষে বসেই ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১৪

সব হাসপাতালের লাইব্রেরিতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা ৩ বই রাখার নির্দেশ

১৫

জুলাই সনদ পাশ কাটিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: আলী রীয়াজ

১৬

পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় গ্রেফতার ৪৮১

১৭

মহাখালীতে পকেট কেটে ৫০ হাজার টাকা চুরি, ধাওয়া করে ধরলো ট্রাফিক পুলিশ

১৮

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ কারবারি আটক

১৯

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল পরিদর্শনে তারেক রহমান, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অসন্তোষ

২০