ইকবাল হোসেন সুমন
কুমিল্লা মহানগরীর আদর্শ সদর উপজেলা নোয়াপাড়া পাসপোর্ট রোড খালপাড় আবাসিক বিল্ডিং এর নির্মান শ্রমিক কে রড দিয়ে পিটিয়ে খুন করে লাশ এম্বুলেন্স করে গুম করার চেষ্টা।
নির্মান শ্রমিকের নাম মারুফ মিয়া, (১৮) পিতা আওলাত মুন্সী, গ্রাম মশুয়া, থানা জেলা নেত্রকোনা।
জানাযায়, গত বুধবার রাত ১ টা ৩০ মিনিট সময় দুই যুবক এলাকার স্থানীয় সন্ত্রাসী ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে আবাসিক বিল্ডিং কাজের স্থানে মারুফ মিয়া সহ ৪ জনকে লোহার রড দিয়ে মারাত্মক আহত করে ফেলে, পরে বিল্ডিং ঠিকাদার ও বাড়ির মালিক ৪ জনকে হসপিটালে না নিয়ে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা করানো হয়।
শুকবার সকলে ৮ টা ৩০ মিনিট সময় মারুফ মিয়া মারা যান, মারুফের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর খুনি ও বিল্ডিং মালিক কতৃপক্ষ কাউকে কিছু না জানিয়ে লাশ গুম করার জন্য এম্বুলেন্স করে এলাকা থেকে লাশ সরিয়ে নিয়ে যায়।
নির্মান শ্রমিক আরেক জন শামসুল হক যুগান্তর ও স্বাধীন ভোরকে বলেন, আমাদের ৪ জন বাড়ি একই জেলা নেত্রকোনা।
আমরা কাজ করার জন্য কুমিল্লা আসি গত বুধবার রাত আনুমানিক ৩ টায় সময় দুই যুবক ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে এসে আমাদের রুমে প্রবেশ করে আমাদের ৪ জনকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারধর করে।
আমাদের রুমের বাহির আরো লোকজন ছিল। আমাদের কেউ বাঁচাতে এগিয়ে আসনেনি। আমাদের কে মারধর করে তারা চলে যাওয়ার পর আমরা বিল্ডিং ও বাড়ির মালিক কে ঘটনা জানাই বাড়ির মালিক লোক পাঠিয়ে আমাদের স্থানীয় ঔষধ দোকান থেকে কিছু ঔষধ কিনে দেন।
আমরা বলি বিচার না করে দিলে আমরা এখানে কাজ করব না, মালিক বিচার করে দেবে বলে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান।
আজ সকলে মারুফ মারা গেলে আমাদের ৩ জনকে একটি রুমে আটকিয়ে রাখেন বাড়ির মালিক, তার পর লাশ এম্বুলেন্স করে কোথায় নিয়ে যায় আমরা জানি না। পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে।
খবর পেয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ওসি ও কোতোয়ালি মডেল থানা সদর সার্কেল ঘটনাস্থলে এসে নির্মান শ্রমিক কে উদ্ধার করেন, বিষয় জানার চেষ্টা করে। নিউজ লেখা পর্যন্ত লাশ উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানা ওসি ও সদর সার্কেল জানান, আমরা আসামি ও লাশ উদ্ধার করার জন্য কাজ করছি।
মন্তব্য করুন