সোহাগ মিয়াজী
অভাব-অনটন ও নানা প্রতিকূলতাকে জয় করে অবশেষে স্বপ্নের দেখা পেলেন অদম্য মেধাবী তাসলিমা। কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভুলইন দক্ষিণ ইউনিয়নের পরতি গ্রামের অটোরিকশাচালক অহিদুর রহমানের মেয়ে তাসলিমা শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায়। তবে লিখিত ও মৌখিক—দুই ধাপেই সফল হলেও জমিজমা-সংক্রান্ত জটিলতায় তাঁর নিয়োগ পাওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।
তাসলিমার এই লড়াই ও অনিশ্চয়তার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয় কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনিরুল হক চৌধুরীর। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তাসলিমা ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন। এমপির দ্রুত ও মানবিক হস্তক্ষেপে সব আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতার অবসান ঘটে এবং মুহূর্তের মধ্যেই তাসলিমার হাতে পৌঁছে যায় বহুকাঙ্ক্ষিত নিয়োগপত্র।
বাবার অক্লান্ত পরিশ্রম, মেয়ের নিষ্ঠা আর মানবিক জনপ্রতিনিধির সহযোগিতায় একটি অসচ্ছল পরিবারের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিল। আবেগপ্লুত তাসলিমা বলেন, “যেখানে আমার চাকরির কোনো নিশ্চয়তা ছিল না, সেখানে এমপি আলহাজ্ব মনিরুল হক চৌধুরী স্যার এগিয়ে এসে আমার ও আমার পুরো পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। আমি তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।”
মন্তব্য করুন