২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

কুমেক হাসপাতালে টয়লেটের সামনে রোগীর চিকিৎসা !

ডেক্স রিপোর্ট:

টয়লেটের সামনে রোগীর চিকিৎসা !গত ৫ অক্টোবর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন সম্প্রসারিত ভবনের ৭ তলায় ১৮ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে পশ্চিম পাশের দু’টি বন্ধ টয়লেটের সামনে তিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদা নদী এলাকা থেকে আসা ১৪ বছরের সুমাইয়া। হামে আক্রান্ত হয়ে এতটাই দুর্বল যে সে কথা বলতে পারছে না। সিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের টয়লেটের সামনেই জায়গা হয়েছে সুমাইয়ার। এদিন ওয়ার্ডটির টয়লেটগুলো ঘুরিয়ে দেখান পরিচ্ছন্নতাকর্মী পূর্ণিমা রানী ভৌমিক।

পুরো ওয়ার্ডে ৪৮ বেডের বিপরীতে মেঝে আর বে মিলিয়ে রোগী ভর্তি ছিলো ১৫১ জন। সেখানে টয়লেট চালু আছে মাত্র ২টি, বাকি ৬টি ব্যবহার অনুপযোগী। পূর্ণিমা রানী ভৌমিক বলছিলেন, ‘১৫১ জন রোগীর সাথে কমে একজন করে স্বজন থাকলেও পুরো ওয়ার্ডে মানুষ আছে কমপক্ষে ৩ শ। তিন শ মানুষ দুইটা টয়লেট কেমনে ব্যবহার করে? মানুষ কি আর ৩শ থাকে! গুণলে ৪শরও বেশি মানুষ হইবো এই ওয়ার্ডে।’

একই দিন পাশের ১১নং ওয়ার্ডের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডেরই আরেকটি শাখায় গিয়ে দেখা যায় প্রায় একই চিত্র। ৩২ বেডের বিপরীতে ৩টি টয়লেট থাকলেও চালু আছে শুধু ১টি। সেদিন মেঝে আর বেড মিলিয়ে রোগীর সংখ্যা ছিলো ১২০ জন। সেখানেও সাথে যান পূর্ণিমা রানী। তিনি বলেন, এই ওয়ার্ডে রোগী আর এটেনডেন্ট মিলে কমে মানুষ আছে ২শ জন, টয়লেট আছে একটা। বাকি অবস্থা আপনি বুঝে নেন। সকালে টয়লেটের জন্য মানুষ লাইন ধরে থাকে। কেউ অন্য ওয়ার্ডে যায়। এত চাপ থাকে তিন বেলা পরিষ্কার করেও ঠিক রাখা যায় না।

নতুন সম্প্রসারিত ভবনের ওয়ার্ড মাষ্টার আক্তার হোসেনের দেয়া তথ্য থেকে জানা গেলো, ওই ৭ তলায় মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগী ও স্টাফদের জন্য মোট ১৭টি টয়লেটের মধ্যে ৯টিই নষ্ট।

পরিসংখ্যান বলছে, মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ৫ শ মানুষের জন্য টয়লেট চালু আছে মাত্র তিনটি। অর্থাৎ ১৬৬ জনের বিপরীতে একটি টয়লেট। যেখানে বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ বলছে, ১৭ বা ১৯ জনের বিপরীতে একটি টয়লেট প্রযোজ্য।

কুমিল্লা অঞ্চলের সবচেয়ে বড় এই সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এমনই অস্বাস্থ্যকর ও সঙ্কটপূর্ণ শৌচাগার ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিদিন সেবা নিচ্ছে রোগীরা। এতে সুস্থ হতে এসে রোগীরা অন্য রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকিতে যেমন পড়েন তেমনি স্বজনরাও হাসপাতালে এসে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হবার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকগণ।

See also  চৌদ্দগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোঃ শাহজাহান বলেন, রোগীদের জন্য ২৪০টির মত টয়লেট আছে। এর মধ্যে ১৭০টি চালু। অর্থাৎ ৭০টি অচল বা ব্যবহার অনুপযোগী। এদিকে অন্তঃবিভাগের ৫শ বেডের বিপরীতে প্রতিদিন হাসপাতালে রোগী থাকে গড়ে দেড় হাজার। তাদের সাথে কমপক্ষে একজন স্বজন থাকলেও তিন হাজার মানুষের জন্য টয়লেট আছে ১৭০টি। বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে রোগী হয় ৫ হাজার, তাদের জন্য টয়লেট আছে ১২টি।

বহির্বিভাগের ক্ষেত্রেও পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি ৪১৬ জনের বিপরীতে একটি টয়লেট। অথচ বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ বলছে, বহির্বিভাগে ২১৪ জনের বিপরীতে ১টি টয়লেট থাকা প্রযোজ্য।

ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোঃ শাহজাহান আরো বলেন, আমরা নিরুপায়। আমরা চেষ্টা করি যেগুলো চালু আছে সেগুলো পরিষ্কার রাখতে। আর অচলগুলো সচল রাখার জন্য গণপূর্ত বিভাগকে জানিয়েছি। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরও সঙ্কট । যেখানে ১২৬ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী থাকার কথা সেখানে মাত্র ৫৩ জন দিয়ে চলছে এই কাজ।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ তলায় মেডিসিন বিভাগের পুরুষ ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় দৈনিক পরিসংখ্যানে লেখা আছে ৪৯ বেডের বিপরীতে ২০৫ জন রোগী ভর্তি আছে। প্রতি রোগীর সাথে অন্তত একজন করে দেখভালকারী ধরে নিলে সেই ওয়ার্ডে রোগী ও স্বজন মিলে ছিলো ৪১০ জন। হাসপাতালের নতুন ভবনের পুরো একটি তলা নিয়ে এই ওয়ার্ডটিতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ওয়ার্ডে রোগীদের জন্য টয়লেট আছে মাত্র ৮টি। অর্থাৎ প্রতি ৫১ জনের জন্য একটি টয়লেট। তবে সেদিন ওই ওয়ার্ডের নার্সরা বলছিলেন, ‘প্রতিরোগীর সাথে কমে দুইজন করে স্বজন আছে। তারা সবাই ওই আটটি টয়লেটই ব্যবহার করে। ’ টয়লেটগুলোর দরজা খুলে দেখা যায়, কোনটাতেই নেই হাত ধোঁয়ার সাবান। কোন কোনটির ছিটকিনি বা লক্ ভেঙ্গে যাওয়ায় ব্যবহার করা যাচ্ছে না। চরম দুর্গন্ধ বের হচ্ছে এসব টয়লেট থেকে। আবার টয়লেটের দরজার পাশেই রাখা ওয়ার্ডের মেডিকেল বর্জ্য জমানোর ড্রাম।

ওয়ার্ডের ঢুকে হাতের ডান পাশের ইউনিটের টয়লেটের পাশের বেডেই চিকিৎসা নিচ্ছেন সত্তরোর্ধ বেশি বয়সী আবদুল আউয়াল। রক্তে নানান জটিলতা সারাতে ভর্তি হয়েছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চান্দিনা থেকে আসা আবদুল আউয়াল বলেন, ‘সকালে টয়লেট ব্যবহারে লাইন ধরতে হয়। দুই বেলা পরিষ্কার করলেও সারাদিন এত মানুষ যায় গন্ধে টেকা যায় না। একটার ছিটকিনি নষ্ট, একটার আবার লাইট নাই।’

See also  পাথরঘাটায় জেলেদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় আহত তিন

কথা হয় হাবিবুল্লাহ নামে এক রোগী ও তাঁর স্ত্রী মাফিয়া বেগমের সাথে। হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘সব সমস্যার বড় সমস্য টয়লেটের। বেশির ভাগই মানুষ টয়লেট ব্যবহার করে বেশি পানি ব্যবহার করে না। আর কোন টয়লেটেই সাবান নাই। টয়লেট সেরে হাত না ধুয়ে যদি আবার রোগীর সেবা শুরু হয়- এটা কেমন ? আমি বাড়ি থেকে সাবান নিয়ে এসেছি।’ তাঁর স্ত্রী মাফিয়া বেগম বলেন, ‘পুরুষদের চেয়ে ভোগান্তি বেশি নারীদের। পুরুষরা চাইলে বাইরে কোথাও যেতে পারে- নারীরা তো তাও পারে না। আর বেশির ভাগ মানুষই লো-কমোড ব্যবহার করতে পারে না- হাই কমোডের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এত দুর্গন্ধ ভেতরে-এক ব্যবহার করলে অসুস্থবোধ হয়।’

সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে টয়লেটের সঙ্কট বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। অপরিচ্ছন্নতা ও সঠিক ব্যবহার পদ্ধতি না মানায় এসব টয়লেট থেকেই পানিবাহিত রোগ জীবানু ছড়াচ্ছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মুজিবুর রহমান জানান, টাইফয়েড ও জন্ডিসের মত পানিবাহিত মরণব্যাধি অপরিচ্ছন্ন টয়লেট থেকেই সবচেয়ে বেশি ছড়াতে পারে। এছাড়া ডায়রিয়া ও কলেরাও ছড়ায় টয়লেট থেকেই। এসব রোগীদের এবং তার স্বজনদের জানতে হবে। কেউ যদি টয়লেট ব্যবহার করে নিয়মানুযায়ী সাবান দিয়ে হাত না দিয়ে আবার রোগীর খাবার বা ঔষধ ধরেন- সেখান থেকেই জীবানু ছড়িয়ে যাবে। আর রোগীরা অসুসস্থ অবস্থায় অনেকটা অসচেতন থাকে- তাই স্বজনদের বেশি সচেতন থাকতে হবে। বিষয়টি খুব হালকা মনে হলেও- তা নয়।

তিনি আরো বলেন, আমাদের রোগীরা শৌচাগার ব্যবহার জানেনা। তারা খাবারের উচ্ছিষ্ট, সেনিটারি ন্যাপকিন, এমনকি ঔষধের প্যাকেট পর্যন্ত সেখানে ফেলে। একদিকে ব্যবহারকারীর চাপ অন্যদিকে লোকবল না থাকা সব মিলিয়ে মেডিকেল কলেজ হসপাতালের শৌচাগারগুলো অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ে। তবে হাসপাতালের বেড বৃদ্ধি করলে শৌচাগার বৃদ্ধি পেলে এই চাপ কমতে পারে। না হয় -এই ভোগান্তি থাকবেই।

কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. অমৃত কুমার দেবনাথ বলেন, আমরা এমনও রোগী পাই যে আসলে একটি রোগ নিয়ে এসেছে কিন্তু হাসপাতালে এসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু এটা শতভাগ নিশ্চিত করে বলা মুশকিল তিনি কোন জায়গা থেকে সংক্রমিত হয়েছেন। কিন্তু আমি এটা বলতে পারি- টয়লেট ব্যবহার বিধি না জানা বা ঠিক মত হাত না ধোয়ার কারণে এসব রোগ ছড়ায়।

See also  গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের নয়া এমপি হলেন বিএনপির শামীম কায়সার লিংকন

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মিয়া মনজুর আহমেদ বলেন, আমাদের যদি টয়লেট ঠিক থাকতো, পরিচ্ছন্নতা আমরা মন মত করতে পারতাম তাহলে কোন রোগী সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি হাসপাতালে যেত না। আমাদের টয়লেটে সাবান নাই। তাহলে যারা বাড়ি থেকে সাবান আনেনি তারা যদি টয়লেট ব্যবহার করে সাবান ব্যবহার না করে শিশুদের সেবা করে তাহলে সেখান থেকেও রোগ ছড়ানোর আশংকা থাকে। এসব প্রমানক ছাড়া বলা যাবে না। কিন্তু এই ঝুঁকি সব সময়ই থাকে।

গত ১ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন কৃষি মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন। সেসময় টয়লেটের দুরাবস্থা দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে- নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সে সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টয়লেট মেরামতের জন্য গণপূর্ত বিভাগকে চিঠি দিয়ে জানায় বলে জানান ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোঃ শাহ জাহান। তবে মন্ত্রীর ক্ষোভ এবং হাসপাতালের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও গত একমাসে পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি হয়নি বলেই দেখা গেছে। অভিযোগ, গণপূর্ত বিভাগ কাজ করছে খুবই ধীর গতিতে।

ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোঃ শাহজাহান বলেন, ‘হাসপাতালের অবকাঠামো দেখভালের দায়িত্ব গণপূর্ত বিভাগের। আমরা জরুরি ভিত্তিতে সব জানিয়েছি। তারা এক সপ্তাহের মধ্যে সব ঠিক করে দিবে বলেছিলো।’

একই অভিযোগ করেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কমিটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছানও। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালটি ২৫০ শয্যার হিসেবে তৈরী-এখন রোগী থাকে দেড় হাজারেরও বেশি। যে কারণে টয়লেটের সঙ্কট। যেগুলো আছে সেগুলো ঠিক করতে আমরা গণপূর্তকে বারবার বলি- তারা ঠিক করে না। আর আমাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মীর সঙ্কট আছে। আউটসোর্সিংয়ে আমাদের লোক নিয়োগ বন্ধ আছে। যেখানে ১২৬ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দরকার সেখানে আমাদের মাত্র ৫৩ জন আছে। এই লোকবল দিয়েই তিন শিফটে পরিচ্ছন্নতা চলে। আমরা পরিচ্ছন্নতা ঠিক রাখতে পারি কিন্তু নির্মান বা মেরামত কাজ তো গণপূর্তকে করতে হবে।’

হাসপাতালের মেরামতের দায়িত্বপ্রাপ্ত গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফিরোজ বলেন, ‘আমরা কাজ করছি। কাজ চলছে।’

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই

১

ইটের বদলে ব্লক ব্যবহারের লক্ষ্য অধরা, নতুন করে তৎপর সরকার

২

ডেঙ্গুতে পাঁচজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৩৬৬

৩

নাটোরে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে ১২ জন নিহত

৪

কুমেক হাসপাতালে টয়লেটের সামনে রোগীর চিকিৎসা !

৫

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে কর্ণফুলী ট্রেনের ইঞ্জিন ও ৪বগি লাইনচ্যুত! তদন্ত কমিটি 

৬

রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান অধিকার

৭

চীনা ব্যাংকের কার্যক্রম শুরুর সুযোগ তুলে ধরলো ইনভেস্ট বাংলাদেশ

৮

অতিরিক্ত ডিআইজির ভাড়া দেওয়া বাড়িতে চলতো ডিজে পার্টি, নারীসহ আটক ৮৪

৯

বন্ধ কল-কারখানা চালু করে কর্মসংস্থান বাড়াতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

১০

দেবিদ্বারে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হেলাল উদ্দিন সরকার

১১

রাশিয়ার যুদ্ধে নিহত কুমিল্লার সাগরের মরদেহ ফেরত চায় বাবা-মা

১২

চৌদ্দগ্রাম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন সাংবাদিক সাদিয়া রেজওয়ানা তন্বী

১৩

টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে ঢাবি শিক্ষার্থী নাফিজ ও তার পরিবারের ৬ জন নি হত

১৪

রাজনীতিবিদরা ইতিহাস লেখায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত হয়েছে: স্পিকার

১৫

দুর্গাপূজায় অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা-উচ্চ শব্দে মাইক নিষিদ্ধ করতে নির্দেশনা

১৬

সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ জায়গা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী, আজিমপুরে অপরিচ্ছন্নতায় অসন্তোষ

১৭

নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আওতায় আসবে: কৃষিমন্ত্রী ইয়াছিন

১৮

পুরো পরিবারের ওমরাহ যাত্রার আনন্দ পরিণত হলো বিষাদে

১৯

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক

২০