৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২৪ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সার নিয়ে গুজবে বিভ্রান্ত কৃষক ভুগছেন আস্থার সংকটে

ডেস্ক নিউজ

কুড়িগ্রামে চলতি আমন মৌসুমে সার নিয়ে একের পর এক বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটছে। বিগত বছরের তুলনায় জেলাজুড়ে বরাদ্দ বাড়লেও সার নিয়ে কৃষকদের মধ্যে এক ধরনের হাহাকার দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগ বলছে, বরাদ্দ বাড়লেও সার নিয়ে গুজবে বিভ্রান্ত হচ্ছেন কৃষকরা। সার সংকট না থাকলেও কৃষকরা আস্থার সংকটে ভুগছেন। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী অঞ্চলের কৃষকরা আসছে রবি মৌসুম সামনে রেখে আগাম সার সংগ্রহে ঝুঁকছেন। এতে অতিরিক্ত চাহিদায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জেলায় সারের কোনো সংকট নেই। প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। আমন ধানে ইউরিয়া সার দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা শেষ পর্যায়ে। আসছে রবি মৌসুমে ভুট্টা, আলু এবং শীতকালীন সবজি চাষ সামনে রেখে অক্টোবর-নভেম্বরে আরও বরাদ্দ বাড়ানো হবে। কৃষকদের সার না পাওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। এ অবস্থায় সার নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

চলতি আমন মৌসুমে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী ও রৌমারী উপজেলায় সার নিয়ে বিক্ষোভ, এমনকি কয়েকটি ডিলার পয়েন্ট ভাঙচুর করে সারের বস্তা তুলে নিয়ে যাওয়ারও ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত সোমবার রৌমারীতে এক ডিলারের গুদাম ভেঙে বেশকিছু সারের বস্তা তুলে নিয়ে যান কৃষকরা। সংকট না থাকলেও বিতরণে দেরি হওয়ায় ধৈর্যহারা হয়ে কিছু কৃষক এ ঘটনা ঘটান বলে জানা গেছে। পরে অনেকে সেই সার ফেরতও দেন।

কৃষি বিভাগের তথ্য বলছে, গত বছর আমন মৌসুমে আগস্ট মাসে জেলায় ইউরিয়ার বরাদ্দ ছিল ৩ হাজার ২৫৩ টন। এ বছর তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ৮৭৫ টন। ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৭০ টন। এ বছর তা দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৫৭২ টন।

গত বছর আগস্টে মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৫৭০ টন। এ বছর একই সময়ে তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৬৪৮ টন। ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) বরাদ্দ ছিল ৮০৯ টন। এ বছর আগস্টে তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ৯২৪ টন।

সেপ্টেম্বরেও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। গত বছর সেপ্টেম্বরে ইউরিয়ার বরাদ্দ ছিল ৩ হাজার ৮৯৪ টন। এ বছর তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৬৪৪ টন। ডিএপি বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ২০১ টন, এ বছর সেপ্টেম্বরে দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৯২১ টন। টিএসপি বরাদ্দ ছিল ৪৫২ টন, এ বছর প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে বরাদ্দ হয়েছে ৮০২ টন। এমওপি ১ হাজার ১১০ টন থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩২৬ টন দেওয়া হয়েছে।

See also  মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন

তথ্য অনুযায়ী গত বছরের চেয়ে চলতি বছর বরাদ্দ বাড়ানো হলেও সার নিয়ে কৃষকদের ‘হাহাকার’ যেন শেষ হচ্ছে না। মাসের পুরো বরাদ্দের বড় অংশ মজুত থাকলেও সার নিয়ে কৃষকদের শোরগোল নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

কৃষকরা বলছেন, ডিলার পয়েন্টে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে করতে তাদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে।

ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে সার নিতে হচ্ছে। অনেক সময় নির্ধারিত সময় পার হলেও ডিলাররা সার বিক্রি শুরু করছেন না। এতে ধৈর্যহারা হয়ে কৃষকরা বিক্ষোভ করছেন।

সোমবার দুপুরে রৌমারী মহিলা কলেজপাড়া এলাকায় ডিলারের গুদামে ভাঙচুরের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী কৃষক মো. জাকির মিয়া বলেন, বন্দবেড় ইউনিয়নের কৃষকরা সার সংগ্রহের জন্য ভোররাত থেকেই ওই ডিলারের গুদামের সামনে জড়ো হন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ডিলারের দেখা না পাওয়ায় একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। দুপুর ১২টা বাজলেও সার বিতরণ শুরু না হওয়ায় অপেক্ষমাণ কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে গুদামের টিনের বেড়া ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শতাধিক বস্তা সার নিয়ে যান।

কৃষকরা বলছেন, ওই ডিলার পয়েন্টে সার সংকট ছিল না। দুপুর ১২টা পেরিয়ে গেলেও সেখানে ট্যাগ অফিসার কিংবা পুলিশের উপস্থিতি ছিল না। মূলত বিক্রি শুরু দেরি করায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষকরা বিরক্ত হয়ে পড়েন। রোদ ও গরমে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে তাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। সেই থেকে হুড়োহুড়ি এবং ডিলার পয়েন্ট ভেঙে সারের বস্তা নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

একই দিন বেলা ১১টার দিকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের পাটেশ্বরী ব্রিজপাড় এলাকায় আমজাদের সারের দোকানের সামনে সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। বিক্ষুব্ধ কৃষকরা সড়কে বাঁশ ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। সেখানে থাকা কয়েকজন কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। সার নিতে গেলে পুরো দিন চলে যায়। এতে দিনের আয়-রোজগার বন্ধ হয়। খোলাবাজারে সার বিক্রি করা হলে কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই সার পাওয়া যাবে।

ডিলার ও স্থানীয় লোকজনের দাবি, আসছে রবি মৌসুমে সংকটের শঙ্কায় অনেকে ভুট্টা ও আলু চাষের জন্য আগে থেকে সার সংগ্রহে ঝুঁকছেন। এক ওয়ার্ডের কৃষকদের জন্য সার বিতরণের কথা থাকলেও অন্য ওয়ার্ডের কৃষকরা সার নিতে ভিড় জমাচ্ছেন। এতে কৃত্রিম সংকট দেখা দিচ্ছে, বিশৃঙ্খলা হচ্ছে। কেউ কেউ কৃষকদের উসকে দিচ্ছে। বিক্ষোভ করে বিরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

See also  কুমিল্লার গোমতী নদীর এক ইঞ্চি মাটিও কাটতে দেওয়া হবে না: কুমিল্লায় কৃষিমন্ত্রী

খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারদের যোগসাজশের অভিযোগ: স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডিলাররা আগে থেকে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বেশি দামে সার বিক্রি করতেন। বর্তমানে খুচরা বিক্রি বন্ধ। ফলে খুচরা বিক্রেতারা ভাড়াটে শ্রমিক সাধারণ কৃষকদের সঙ্গে লাইনে দাঁড় করিয়ে সার সংগ্রহ করছেন। তারা একবার সার নিয়ে ফের লাইনে দাঁড়ান। সার সংগ্রহ করে অবৈধ মজুত করছেন। তাদের কারণে অনেক সময় কৃষকরা সার থেকে বঞ্চিত হন।

এই অনুপ্রবেশকারীরা ভিড়ে প্রবেশ করে হঠাৎ উসকে দিয়ে বিক্ষোভ সৃষ্টি করে। ডিলার এবং খুচরা বিক্রেতাদের দীর্ঘদিনের চেইন ভেঙে পড়ায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা কৃষকদের হাহাকার হিসেবে দেখানো হচ্ছে বলে দাবি করছেন অনেকে।

সারের নয়, সংকট আস্থার: কৃষি বিভাগ বলছে, সারের সংকট নেই। চলতি আমন মৌসুমে সারের প্রয়োজনীয়তা শেষ পর্যায়ে। মাসভিত্তিক বরাদ্দ ও সরবরাহ স্বাভাবিক। কিন্তু সামনে সারের সংকট দেখা দিতে পারে—এমন একটি গুজব থেকে কৃষকদের মধ্যে এক ধরনের আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলবেষ্টিত এলাকার কৃষকদের মধ্যে এ আস্থার সংকট প্রবল। তারা ভাবছেন, সামনে ভুট্টা ও আলু চাষের সময় সারের সংকট দেখা দিতে পারে। ফলে এখন থেকে সার সংগ্রহ করে মজুতের চেষ্টা করছেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে জেলার চর-রৌমারীতে গতকাল ডিলারের গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যান চরাঞ্চলের কৃষকরা।

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের চারটি ডিলার পয়েন্টে সার বিক্রি চলে। এতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনিয়ম হয়নি বলে জানিয়েছেন কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা।

শৌলমারী ইউনিয়নের মেসার্স মিলন ট্রেডার্স, আইয়ুব ট্রেডার্স, তালেব ট্রেডার্স ও হারবাল ট্রেডার্স—এই চারটি ডিলার পয়েন্টে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ও ডিএপি সার বিক্রি করা হয়।

সার নিতে আসা কৃষকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও মোবাইল নম্বর নেওয়া হয়। পরে মাঠপর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন দেওয়ার পর নির্ধারিত ডিলার পয়েন্ট থেকে সার সংগ্রহ করেন কৃষকরা। এতে আগের তুলনায় ভোগান্তি কমেছে বলে জানান তারা।

স্থানীয় কৃষক শাজাহান, আকবর আলী, মন্তাজ আলী ও মোকলেছুর রহমান বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সার কিনেছি। প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা সহযোগিতা করেছেন।

কৃষানি নরেজা বেগম বলেন, এর আগে ৬-৭ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও সার পাইনি। এবার আধাঘণ্টার মধ্যে সার পেয়েছি।

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু বলেন, শৌলমারী ইউনিয়নের ডিলার পয়েন্টগুলোতে কৃষকরা সুষ্ঠুভাবে সার নিয়েছেন। কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। আমাদের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি প্রশাসনও শক্ত অবস্থানে ছিল। কোনো ধরনের গুজব রটালে তা শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে।

See also  জুড়ীতে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু

কুড়িগ্রাম জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ আহমেদ বাবু প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি, অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান এবং ডিলার পর্যায়ে সমন্বিতভাবে সার বিতরণে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগকে আরও কঠোরভাবে মনিটরিং করার অনুরোধ জানান।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুবুল হাসান বলেন, সার বিতরণে কোনো ভোগান্তি ও অনিয়ম হয়নি। প্রশাসনের উপস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। কোনো ডিলার পয়েন্টে ভোগান্তি বা অনিয়মের চিত্র থাকবে না।

ইউএনও আরও বলেন, সার পর্যাপ্ত রয়েছে। খোলাবাজারেও সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার পাওয়া যাবে। ডিলার পয়েন্টে বিতরণ কার্যক্রম যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করতে হবে। কোনো ধরনের গুজবে কান দেবেন না।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন কালবেলাকে বলেন, সারের কোনো সংকট নেই। এলাকাভিত্তিক মাসিক চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার রয়েছে। বরং বিগত বছরের চেয়ে বেশি বরাদ্দ রয়েছে। বর্তমানে আমন এবং সবজি ক্ষেত ছাড়া সারের প্রয়োজন নেই। চলতি মাসের অর্ধেক সময় পার হলে আমন ক্ষেতে ইউরিয়া দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। কিন্তু কিছু কৃষক সংকটের গুজবে কান দিয়ে আগাম অতিরিক্ত সার সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন, বিক্ষোভ করছেন। এমন বিক্ষোভ প্রশ্ন তৈরি করে। এখানে তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

সারের জন্য কৃষকদের বিক্ষোভ কিংবা ‘হাহাকারকে’ বাস্তবতার বিপরীত উল্লেখ করে এই কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অনেকে সার সংকটের গুজবে কান দিয়ে রবি মৌসুমের জন্য আগাম মজুতের জন্য সার কেনার চেষ্টা করছেন। চরাঞ্চলের কৃষকরা ভাবছেন, হয়তো ভুট্টা কিংবা আলু চাষে সারের সংকট হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা নেই। রবি মৌসুমকে সামনে রেখে আগামী অক্টোবর ও নভেম্বরে সারের বরাদ্দ আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক অর্ণপূর্ণা দেবনাথ কালবেলাকে বলেন, কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তিনি গুজবে কান না দিয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, একই সঙ্গে কোনো ডিলার বা ব্যবসায়ী নির্ধারিত নিয়মের বাইরে সার বিক্রি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা অবৈধভাবে মজুত করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যান সভায় জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে দাউদকান্দি সার্কেল ও অফিসার ইনচার্জ

কুমিল্লায় কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর মায়ের জানাজা অনুষ্ঠিত

সংসদে নতুন দায়িত্বে হুইপ দুলু

ভোলার গ্যাস পাইপলাইনে মূল ভূখণ্ডে নিতে ৭ বছর লাগবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন এমপি হানজালা

ইউটিউবে ১০০ কোটি ভিউয়ের রেকর্ড গড়ল ‘পাসুরি’

বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১১ সন্ত্রাসী নিহত

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তুলনা করতে চাই না: সারজিস

ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেতে অনেক বেশি মূল্য দিয়েছি: রাষ্ট্রপতি

হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছাড়াল

১০

ছাত্রদের দেশের জন্য কাজ করতে হবে, তবে লেখাপড়া ছেড়ে নয়

১১

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান: শামা ওবায়েদ

১২

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার না করার অনুরোধ

১৩

শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ফাঁসি চাইলেন ছাত্রদল নেতা টিপুর স্ত্রী

১৪

ইয়েমেনে ৩২টি বিমান হামলা সৌদি আরবের

১৫

দুই মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ গ্রেপ্তার

১৬

মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট

১৭

ডেঙ্গুতে ১৩৭ মৃত্যু, প্রতিরোধে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসের অভিযান

১৮

ফ্যাসিবাদের আমলে নারী-শিশুরা বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে: রিজভী

১৯

চেকের মামলায় পাওনা শোধ ও সমঝোতা হলে কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট

২০