দেবিদ্বার ( কুমিল্লা ) প্রতিনিধি:
কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার ২নং ইউসুফপুর ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।
পূজা চলাকালে তিনি ইউনিয়নের একাধিক পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ ও নিরাপত্তার খোঁজখবর নেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ২নং ইউসুফপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মামুন মিয়া। এ ছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, অনুসারী ও সাধারণ জনগণ তাঁর সফরসঙ্গী হন।
পূজামণ্ডপে উপস্থিত ভক্ত ও পুণ্যার্থীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্যে মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার শারদীয় দুর্গোৎসবের আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আবহমানকাল ধরে এ বাংলায় ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রনির্বিশেষে সবাই একে অপরের আনন্দ ও উৎসবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই নীতিতেই আমরা বিশ্বাসী। আমাদের ২নং ইউসুফপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে যে সম্প্রীতি বজায় রয়েছে, তা যেকোনো মূল্যে অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “সকল অপশক্তি ও বৈষম্য পেছনে ফেলে সমাজে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতে হবে। সবাই যেন নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা। যেকোনো পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং থাকব।”
মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার ও মামুন মিয়া পূজামণ্ডপে পৌঁছালে স্থানীয় পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
এ সময় মণ্ডপ পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পূজা সুন্দর ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে তাঁদের সহযোগিতামূলক মনোভাবকে তাঁরা স্বাগত জানান।
পরিদর্শনকালে প্রার্থীরা বিভিন্ন পূজামণ্ডপে প্রসাদ গ্রহণ করেন এবং ভক্ত ও পুণ্যার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পাশাপাশি ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।
এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।