বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার জুলাই আন্দোলনের সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে এবং আট দফা দাবি না মানলে এক দফার আন্দোলনে যাবো। তবে আট দফা মানা হলে এক দফার দরকার নেই। কিন্তু তা মানা না হলে এক দফার আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি দাবি জনগণের জন্য, সেই দাবিগুলো সরকার মেনে নিলে আমরা কোনদিন রাস্তায় নামবো না। বর্তমানে সরকারি দলের নেতাকর্মীরা সব জায়গায় চাঁদাবাজি করছে। প্রধানমন্ত্রীও রোধ করতে পারছেন না। কৃষকরা সার পাচ্ছে না। অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট চরমে। সরকার দলের মন্ত্রী বলেন- বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই, তার লম্বা বলে বিদ্যুৎ চলে যায়। এমন অবাস্তব কথা লজ্জার। এ জাতির সঙ্গে লুকোচুরি করলে তারা ছাড় দিবেন না।
ঢাকা থেকে সড়কপথে রংপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া লংমার্চের বহরটি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পোঁছালে সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা তা বরণ করে নেন। এ পথ সভায় গাইবান্ধা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম লেবুর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য দেন- জামায়াতের সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরোয়ার, লেবারেল ডেমোক্রেটিক পাটির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ, খেলাফত মজলিশের মাওলানা মামুনুল হক, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক আব্দুল্লাহ হাসনাত এমপি, এবি পাটির সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, শ্রমিক ফেডাশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাড. আতিকুর রহমান, জাগপার সভাপতি, শফিউল আলম প্রধান বাংলাদেশ লেবার পাটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ঢাবির ভিপি সাদিক কায়েম, জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি আব্দুল হালিম, জামায়াত পন্থি আইনজীবী, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরসহ জোটের স্থানীয় নেতারা।
পরে লংমার্চের গাড়ির রংপুরে আগামী কালের সমাবেশের উদ্দেশ্য রওনা দেন।