কুমিল্লা-৯ (লাকসাম–মনোহরগঞ্জ) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই জনকল্যাণমূলক নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিয়েছেন। তাঁর কর্মকাণ্ডে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে।
রাজনৈতিক নেতৃত্বের দিকনির্দেশনায়, বিশেষ করে তারেক রহমান–এর নির্দেশনা অনুসরণ করে, তিনি চাঁদাবাজি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে প্রশাসনকে সক্রিয় রেখে দিনরাত কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
পরিবহন ও জনভোগান্তি নিরসনে উদ্যোগে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ এলাকায় সিএনজি স্ট্যান্ডে অতিরিক্ত ইজারা আদায় বন্ধে তিনি সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন—১০ টাকার বেশি ইজারা নেওয়া যাবে না। এতে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমেছে।
জলাবদ্ধতা নিরসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন খাল দখল করে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা দূর করতে ইতোমধ্যে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পাশাপাশি খাল খনন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শিক্ষা খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, যেমন: টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ মনোহরগঞ্জে সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহায়তা প্রদান এসব পদক্ষেপ এলাকায় কারিগরি ও সাধারণ শিক্ষার প্রসারে সহায়ক হবে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কুমিল্লা–নোয়াখালী মহাসড়কের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনে মনোহরগঞ্জের জন্য চার লেন সড়কের দাবি সংসদে উত্থাপন করেছেন, যা বাস্তবায়িত হলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নে লাকসাম স্টেডিয়াম সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিয়মিত মনিটরিং এবং মাদক নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, যা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
উপমহাদেশের প্রখ্যাত নারী নবাব ফয়জুন্নেসা–এর পৈতৃক বাড়ি দখলমুক্ত করার উদ্যোগ এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। এছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।
দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসূচি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ভিজিএফ কার্ড বিতরণ এবং ৪০ দিন ও ১০০ দিনের কর্মসংস্থান প্রকল্পের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
সংসদ সদস্য আবুল কালাম–এর স্বল্প সময়ের কার্যক্রমে লাকসাম–মনোহরগঞ্জ এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরিকল্পিত নগরায়ণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে এ অঞ্চল ভবিষ্যতে একটি আধুনিক ও উন্নত জনপদে পরিণত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।