ডেস্ক নিউজ
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর চালু হবে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। এর আগেই ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু ঝুঁকি নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি)। বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে নেওয়া হচ্ছে আরও ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প।
বেবিচক সূত্র জানায়, বর্তমানে শাহজালালের টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ দিয়ে বছরে প্রায় ৮০ লাখ যাত্রীকে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা থাকলেও বাস্তবে এই দুই টার্মিনাল দিয়ে ১ কোটি ২৬ লাখের বেশি যাত্রী সেবা নিচ্ছেন। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে অতিরিক্ত ১ কোটি ২০ লাখ যাত্রী ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা তৈরি হবে।
সেই হিসাবে বছরে দুই কোটির বেশি যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করবেন। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে আন্তর্জাতিক যাত্রী চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তবে ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ হলেও বাড়তি যাত্রীর তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা গড়ে তোলা হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে ১৬ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিদ্যমান আইটি অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা এই বর্ধিত চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত নয়। সীমিত সার্ভার সক্ষমতা, অপর্যাপ্ত স্টোরেজ, তুলনামূলক ধীরগতির নেটওয়ার্ক, অসম্পূর্ণ সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আধুনিক বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির অভাব ইমিগ্রেশন কার্যক্রম ধীর, জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।
এছাড়া বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাল পাসপোর্ট ব্যবহার, পরিচয় গোপন করে ভ্রমণ, আন্তঃদেশীয় অপরাধ, মানবপাচার, সন্ত্রাসবাদ ও সাইবার আক্রমণের মতো ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, নির্ভরযোগ্য ও উচ্চ সক্ষমতাসম্পন্ন আইসিটি অবকাঠামো প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য।
মন্তব্য করুন