ডেস্ক নিউজ
মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে নতুন করে ৫ লাখ ৮ হাজার ২২৪ জনকে উপকারভোগী হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দারিদ্র্য, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা, অপুষ্টির হার ও জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় নিয়ে এ বিভাজন করা হয়েছে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত চিঠি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।
অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী, দেশের ৫০৩টি উপজেলার ৪ হাজার ৫৮৬টি ইউনিয়নে মোট ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮৮ জন নতুন উপকারভোগী অন্তর্ভুক্ত হবেন। এর মধ্যে দারিদ্র্য, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও অপুষ্টির হার বেশি এমন ১৭৭টি উপজেলায় ১ হাজার ৫১১টি ইউনিয়নে প্রতিমাসে ৯ জন করে এবং ৩২৬টি উপজেলায় ৩ হাজার ৭৫টি ইউনিয়নে প্রতিমাসে ৬ জন করে নতুন উপকারভোগী যুক্ত হবেন।
এছাড়া ৩৩২টি পৌরসভার ৩ হাজার ১১২টি ওয়ার্ডে মোট ৯৮ হাজার ৫৩২ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির ২০৭টি পৌরসভার ১ হাজার ৯৮৭টি ওয়ার্ডে প্রতিমাসে ৩ জন করে ৭১ হাজার ৫৩২ জন এবং ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণির ১২৫টি পৌরসভার ১ হাজার ১২৫টি ওয়ার্ডে প্রতিমাসে ২ জন করে ২৭ হাজার উপকারভোগী যুক্ত হবেন।
সিটি করপোরেশন এলাকাতেও নতুন উপকারভোগী যুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ৩টি সিটি করপোরেশনের ১৭০টি ওয়ার্ডে ৮ হাজার ১৬০ জন এবং ১০টি সিটি করপোরেশনের ৩৩১টি ওয়ার্ডে জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় ৭ হাজার ৯৪৪ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৩টি সিটি করপোরেশনে নতুন উপকারভোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ১০৪ জন।
এ ছাড়া বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও এফএলএক্সএ’র আওতাভুক্ত ৫০০টি কারখানা থেকে একজন করে মোট ৬ হাজার নারী শ্রমিককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ৩ হাজার জনকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন