ডেস্ক নিউজ
দেশের ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিক পানি আইন অনুযায়ী কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্যে পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ বাস্তবায়নের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আসন্ন বৈঠক ও সফর ঘিরে বাংলাদেশের প্রত্যাশার কথা দেশটির রাষ্ট্রদূতকে জানানো হয়েছে। সেই বার্তা নিয়ে রাষ্ট্রদূত নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করছেন। তিনি দেশে ফিরে কী বার্তা দেন, তা জানার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।
ফরহাদ হোসেন আজাদ আশা প্রকাশ করে বলেন, এ আলোচনার মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের পাশাপাশি অভিন্ন নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ভারত ইতিবাচক উদ্যোগ নেবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।
আগামী ১২ ডিসেম্বর ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চুক্তি নবায়নের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ সরকার উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে। ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় করা চুক্তির গ্যারান্টি ক্লজের ভিত্তিতে ভারত নতুন করে চুক্তি নবায়ন করবে বলে আশা করছে সরকার।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা সেতুসংলগ্ন এলাকায় বারনই নদী পুনরুজ্জীবিত করা এবং দূষণ ও দখলমুক্ত করার প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেন। পরে গোদাগাড়ী পৌরসভা এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় শহরের আই-বাঁধ, টি-বাঁধ ও শহর রক্ষা বাঁধের অবস্থাও পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন