মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী লালমাই উপজেলার সন্তান হওয়ায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা—লালমাই উপজেলার একটি বড় অংশের ভোট তার দিকে যেতে পারে। অন্যদিকে বিএনপি ও জামায়াত—উভয় দলের প্রার্থীই নাঙ্গলকোট উপজেলার হওয়ায় সেখানে ভোটের বড় অংশ এই দুই দলের মধ্যেই ভাগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে তরুণ ও অনির্ধারিত ভোটারদের ভূমিকা এবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তরুণ ভোটার মাইন উদ্দিন বলেন, এবার সরকার কারা গঠন করবে তা অনেকটাই নির্ভর করবে অরাজনৈতিক নবীন ভোটার এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সমর্থকদের ভোটের ওপর। শুধু দলীয় কর্মীদের ভোটে জয় সম্ভব নয়। শেষ সময়ে সাধারণ মানুষের কাছে যাওয়ার বিকল্প নেই। পেশিশক্তি কিংবা অর্থ ব্যয় করে এবার জয় পাওয়া কঠিন হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা-১০ আসনে মোট ১৫২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। ২৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৬ হাজার ২২৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭৬ হাজার ৬৪৭ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫৭৯ জন।
সব মিলিয়ে কুমিল্লা-১০ আসনে এবারের নির্বাচন কোনো সহজ সমীকরণে সীমাবদ্ধ নেই। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের ত্রিমুখী প্রতিযোগিতায় শেষ পর্যন্ত কে এগিয়ে থাকবে, তা নির্ধারিত হবে ভোটের দিন তরুণ, অনির্ধারিত ও সাধারণ ভোটারদের সিদ্ধান্তে।