ডেস্ক নিউজ
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে বিএনপি, তবে এ মোকাবিলা কোনোভাবেই মারামারি নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্টের পতনের মধ্যদিয়ে আমরা এই দেশ থেকে স্বৈরাচার বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছি। হয়তো কেউ কেউ বলবেন, তিনি স্বেচ্ছায় গেছেন। কিন্তু এতদিন তো স্বেচ্ছায় যাননি। আন্দোলনের মুখে এবং জনগণের স্রোতের মুখেই তাকে চলে যেতে হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের অনেকে চলে গেলেও তাদের চরিত্র ধারণকারী কিছু লোক এখনো রয়েছে।
তিনি বলেন, মাঝে মাঝে তাদের কর্মকাণ্ডের আলামত দেখা যায়। জনজীবনে অস্থিরতা সৃষ্টি করা এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার চেষ্টা হচ্ছে। কোথাও কোথাও ভোরবেলায় ককটেল ফাটানো ও বোমা বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটছে।
সারাদেশের মানুষকে আশ্বস্ত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সিনিয়র সদস্য বলেন, জাতীয়তাবাদী দলের সব স্তরের নেতাকর্মীরা জনগণের পক্ষে রয়েছেন। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা কোনো অবস্থায়ই ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না। এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।
জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রশাসনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা গোপনে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড ও নাশকতায় ব্যস্ত, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।গয়েশ্বর বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যে লক্ষ্য—বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব—আজ তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সূচনা করতে পেরেছি।
বিএনপির নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল, জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতারা এবং ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরের নেতাসহ বিএনপির অন্য নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন