জামালপুর প্রতিনিধি
'প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, দেশ রাখবো পরিস্কার' এই স্লোগানকে সামনে রেখে জামালপুর শহরের প্রধান সড়কের দু'পাশে ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার অভিযান পরিচালনা করেছেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সোহেল রানা খান।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে পৌর শহরের বকুলতলা থেকে এই পরিস্কার অভিযান শুরু হয়। পরে দয়াময়ী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন 'সোহেল রানা খানের অঙ্গীকার, শহর রাখবো পরিস্কার।'
পরিস্কার অভিযান শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও মেয়র প্রার্থী সোহেল রানা খান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গিকারের অংশ হিসেবে পৌরসভায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছি। এই কর্মসূচি আমরা এক দীর্ঘ মেয়াদে করবো।
তিনি বলেন, শুধু দলীয় নেতাকর্মী নয়, প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে যদি আমরা শহরটাকে পরিস্কার অভিযান শুরু করি তাহলে শহর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে। এসময় এ পরিস্কার অভিযান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জেলা ও শহর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার