সাব্বির হোসাইন
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর-বাগড়া সড়কের জসিম রোড রেলক্রসিংয়ের পশ্চিম পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি হলেন মো. মান্নান প্রকাশ মন্নান (৩০)। তিনি ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর বাল্লাক। তিনি ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর বাল্লাকএলাকার মৃত জারু মিয়ার ছেলে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এসআই মো. শামীম হোসেন ও এএসআই মো. নুর-আল আহসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় রাস্তার ওপর থেকে ১০ কেজি গাঁজাসহ মান্নানকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের পর আইনগত ব্যবস্থা শেষে রোববার দুপুরে কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।”
এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার