নিজস্ব প্রতিবেদক
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৩০টি আসনে ব্যাপক কারচুপি, জালিয়াতি ও অনিয়ম হয়েছে। এসব আসনের ভোট পুনর্গণনা এবং সংসদ সদস্যদের শপথ না পড়ানোর জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত আবেদন করেছে জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য কলেন মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ৩০টি আসনের ভোট কারচুপির অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। আগামীতে আরও তথ্য আসবে এবং সেগুলো গণমাধ্যমে জানানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ মান্নান অভিযোগ করে বলেন, আমার আসনে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতি হয়েছে। আমি সেগুলো তুলে ধরেছি। ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ইরশাক হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার