ডেস্ক নিউজ
আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সারা দেশে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালিত হবে। এ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকলেও সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দিনটি সাধারণ ছুটি নয়।
সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম মুসলিম পর্বের একটি ঐচ্ছিক ছুটি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় সব ধরনের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
ফলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীরা এদিন ছুটি পাবেন।
এদিকে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) অধীন ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন (ডিপিএড) বোর্ড, ময়মনসিংহ দেশের পিটিআইগুলোতে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটির তারিখ পরিবর্তন করেছে। পূর্বনির্ধারিত ২৪ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে ২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি পালন করা হবে।
সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছুটি নয়। তাদের জন্য দিনটি নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে গণ্য হবে।
তবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাইলে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে দিনটিকে ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে নিতে পারবেন।
ব্যাংক-বীমা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম চলবে
ব্যাংক, বীমা, করপোরেট অফিসসহ বেসরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্যও এটি সাধারণ ছুটি নয়। এসব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যক্রম চলবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার