ডেস্ক নিউজ
চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে, তা নিয়ে ফুটবলবিশ্বে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এবারের পুরস্কার জয়ের দৌড়ে ফেভারিট ধরা হচ্ছে হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামালকে। তবে ইংল্যান্ডের সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার ডেভিড বেকহ্যামের মতে এবারের ডি’অর কার লিওনেল মেসিই পাওয়া উচিত।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ২০২৬ মিশেলোব আল্ট্রা ক্যাম্পিওনেস কাপের ফাইনালে ক্রুজ আজুলকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ইন্টার মায়ামি। জয়ের দুই গোলেই সরাসরি অবদান রেখেছেন মেসি। প্রথমটি করেছেন নিজেই, পরেরটি তার পাস থেকে হেডে করেছেন ক্যাসেমিরো।
অ্যাপল টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইন্টার মায়ামির মালিক ডেভিড বেকহ্যাম বলেন, ‘আজ রাতে ওর (মেসি) পারফরম্যান্স বা বিশ্বকাপে যেভাবে ও খেলেছে, তা দেখার পর এটুকু বলা যায়—পুনরায় ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় থাকাটা কোনো ভাগ্যের বিষয় নয়। ও টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ছিল এবং বিগত বছরটিও ওর দুর্দান্ত কেটেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘৩৯ বছর বয়সে একটি বিশ্বকাপে গিয়ে প্রতিটি ম্যাচে এমন প্রভাব ফেলা বিশেষ কিছু। এই বয়সে এই মানের ফুটবল আর কেউ খেলছে না। তাই ব্যালন ডি’অরের জন্য তার নাম বিবেচনা করাটা একেবারে যৌক্তিক। আমার মতে, পুরস্কারটি তারই পাওয়া উচিত। হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপ্পে বা জুড বেলিংহামের মতো দুর্দান্ত খেলোয়াড়রা তালিকায় থাকলেও লিওকে নিয়ে কথা বললে আমি সবসময়ই তার সবচেয়ে বড় সমর্থক।’
মায়ামির হয়ে মেসির প্রভাবও গত এক বছরে ছিল উল্লেখযোগ্য। গত মৌসুমে ক্লাবটিকে প্রথম এমএলএস কাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন। ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে মূল একাদশে খেলার কীর্তিও গড়েছেন। বিশ্বকাপেও তার পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া, করেছেন ৮ গোল, সঙ্গে ৪টি অ্যাসিস্ট।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার