ডেস্ক নিউজ
দেশব্যাপী সরকারি হারানো অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই সমন্বিত অভিযান সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এলিট ফোর্স র্যাবকে প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকর্মীদের এ বিষয়ে অবহিত করে সংবাদ পরিবেশনে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে হারানো অস্ত্রের সঠিক তথ্য দিয়ে এই যৌথ অভিযানে সহায়তা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রেখে নিরাপদে পুরস্কার প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়েছে র্যাব।
হারানো অস্ত্র সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানাতে সাধারণ মানুষ র্যাবের নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন। হটলাইন নম্বরগুলো হলো— ০১৭৭৭৭১১৪৪১, ০১৭৭৭৭১১৪৪২, ০১৭৭৭৭১১৪৪৩, ০১৭৭৭৭১১৪৪৪ এবং ০২৫৫৬৬৯৯৯৯।
এ ছাড়া এসব নম্বরে ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও ভাইবারের মাধ্যমেও সরাসরি গোপনীয়তার সঙ্গে তথ্য ও ছবি পাঠানো যাবে বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
জনস্বার্থে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসব তথ্য বহুল প্রচারের জন্য গণমাধ্যমগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে র্যাব ফোর্সেস।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার