ডেস্ক নিউজ
হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধী দলের লংমার্চ আয়োজনকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বের নানা জায়গায় যুদ্ধের কারণে বর্তমানে চলমান তেল সংকটের মধ্যে হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচি অযৌক্তিক।’
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ পুকুরে পাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জামাত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট এতদিন জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে আমাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। আজ তারাই আবার তেল, বিদ্যুৎ, সার-সহ বিভিন্ন সংকটের কথা বলে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’
তিনি আরও বলেন, দেশীয় মাছের প্রজাতি রক্ষায় সবাইকে সচেষ্ট থাকা, পানিতে ডুবে অপমৃত্যু রোধে শিশুদের সাঁতার শেখানোর ওপর গুরুত্বারোপ এবং যুব সমাজকে রক্ষায় মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কে এম আব্দুল হালিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রবিউল ইসলাম, বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা, বোদা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা-সহ সাঁতার প্রশিক্ষণার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার