ডেস্ক নিউজ
বার্সেলোনায় ক্যারিয়ারের সেরা সময় কাটিয়ে ২০২১ সালে স্পেন ছাড়েন লিওনেল মেসি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন আর্জেন্টাইন এই তারকা। তবে স্প্যানিশ ফুটবলের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ হয়নি। এবার দেশটির আরেকটি ক্লাবের মালিক হতে যাচ্ছেন তিনি।
স্প্যানিশ দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব এলদেনসে কেনার বিষয়ে প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছেন মেসি। ইএসপিএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগে ক্লাবটির আর্থিক ও আইনি বিষয়গুলো যাচাই করা হবে। এরপর প্রয়োজন হবে স্পেনের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অনুমোদন।
সব প্রক্রিয়া শেষ হলে এলদেনসে হবে স্পেনে মেসির মালিকানাধীন দ্বিতীয় ক্লাব। চলতি বছর তিনি পঞ্চম বিভাগের ক্লাব কর্নেয়া কিনেছেন। কর্নেয়া আধা-পেশাদার দল হওয়ায় এলদেনসে হবে স্পেনে মেসির মালিকানাধীন প্রথম পেশাদার ক্লাব।
বর্তমানে এলদেনসের মালিক কলম্বিয়ার বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গ্রুপো টিএইচ। কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডেও ক্লাব রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এলদেনসে দীর্ঘ সময় স্প্যানিশ ফুটবলের নিচের সারির লিগগুলোতেই খেলেছে।
১৯৬৪ সালের পর প্রথমবারের মতো ২০২৩ সালে দ্বিতীয় বিভাগে ওঠে এলদেনসে। তবে দুই মৌসুম পরই অবনমন হয়। চলতি গ্রীষ্মে আবারও দ্বিতীয় বিভাগে ফিরেছে ক্লাবটি।
ফিরেই অবশ্য কঠিন সময় পার করছে এলদেনসে। চলতি মৌসুমে চার ম্যাচ খেলেও কোনো জয় পায়নি দলটি। এরই মধ্যে কোচ ক্লদিও বারাগানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নতুন কোচ ছাড়াই আপাতত চলছে ক্লাবটির কার্যক্রম।
ইন্টার মায়ামির সতীর্থ লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে উরুগুয়ের ক্লাব দেপোর্তিভো এলএসএমের মালিকানার সঙ্গেও আংশিকভাবে যুক্ত আছেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি।
এলদেনসে ও কর্নেয়ার মালিকানা নিয়ে আপাতত বড় কোনো জটিলতার আশঙ্কা নেই। কারণ, স্প্যানিশ ফুটবলে দুই ক্লাবের মধ্যে তিন বিভাগের ব্যবধান রয়েছে। কর্নেয়া পঞ্চম বিভাগে আর এলদেনসে দ্বিতীয় বিভাগে খেলছে।
তবে ভবিষ্যতে দুই দল একই বিভাগে উঠে এলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। মেসি যদি তখন দুই ক্লাবের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিক থাকেন, একই মালিকের দুটি দলকে একই বিভাগে খেলতে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এলদেনসের ঘরের মাঠ নুয়েভো পেপিকো আমাতে দর্শক ধারণক্ষমতা ৫ হাজার ৭৭৬। চুক্তি চূড়ান্ত হলে মেসির মালিকানায় আসা ছোট এই ক্লাবটির সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার