প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেছেন, উন্নয়নবঞ্চিত ঝালকাঠির জনগণের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুশাসন নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
তিনি বলেন, সরকারি সেবায় যেকোনো অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানি রোধে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করতে সকলকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আজ ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ঝালকাঠি জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমসহ সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবিশেষ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।
আজকের বিশেষ সভায় ঝালকাঠি জেলার চলমান ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার