সোহেল রানা মিলন,স্টাফ রিপোর্টার:
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য আটক ও পাঁচটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে । এ সংক্রান্তে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ এবং চক্রের অন্য সদস্যদের আটোকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রবিবার(২৬ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহজাদপুর থানা পুলিশ কয়েক দফা অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি হওয়া একাধিক মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলের মধ্যে পালসার, সুজুকি জিক্সার ও প্লাটিনা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল রয়েছে। এজাহারে উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে চক্রটি বিভিন্ন সময় চুরি হওয়া মোটরসাইকেল সংগ্রহ, ক্রয়-বিক্রয় এবং গোপনে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত। চুরি হওয়া মোটরসাইকেলগুলো স্থানীয়সহ পার্শ্ববর্তী জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল। অভিযানের সময় কয়েকজন সন্দেহভাজন পালিয়ে গেলেও পরবর্তীতে তাদের পরিচয় শনাক্ত করে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
আটককৃত তিনজন হলো শাহজাদপুর উপজেলার রেশমবারি এলাকার জামাতের ছেলে মো. মনিরুল ইসলাম বাবু (২৯), বাড়াবিল উত্তরপাড়া এলাকার রাজ্জক মন্ডলের ছেলে রায়হান হোসেন (২৪) এবং একই এলাকার মো. দুলালের ছেলে বেল্লল হোসেন (৩০)।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও আটকের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ছাইফুল ইসলাম বলেন, "এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। আটককৃত তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"# সোহেল রানা মিলন, স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক স্বাধীন ভোর । ২৬.০৭.২৬
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার