ডেস্ক নিউজ
সাবেক আইজিপি এবং বাংলাদেশ আইন কমিশনের সাবেক সদস্য ড. এম. এনামুল হক আর নেই। রোববার (আগস্ট) ভোরে তিনি মারা যান। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ড. এনামুল হক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের বড় চাচা। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
এনামুল হক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি নিউ অরলিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করেন।
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এনামুল হক। ১৯৯১ সালে তিনি পুলিশের মহাপরিদর্শক নিযুক্ত হন।
এনামুল হক ২০০৪ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত আইন কমিশনের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এনামুল হকের স্ত্রী শিক্ষাবিদ ও লেখক অনামিকা হক লিলি। তাদের এক মেয়ে অদিতি তিতাস হক এবং দুই ছেলে আশিম শৈতাল হক ও অনীক আর. হক।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার