ডেস্ক নিউজ
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্কে জড়ানোর জন্য শ্যালক ওবায়দুর রহমানকে দায়ী করেছেন এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের বাবা মাসুম বিল্লাহ।
এরই মধ্যে নিহত মরিয়ম খাতুনের মরদেহ নেওয়ার জন্য হাসপাতালে অপেক্ষা করছেন তার স্বজনেরা। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ ও তার দাদি।
মরিয়মের বাবা বলেন, ‘আজকে এই পরিস্থিতির জন্য আমার শ্যালক ওবায়দুর দায়ী। এই রাস্তায় সেই নিয়ে আসছে।’ টাকার লোভে তাকে সম্পর্কে জড়ানো হয়েছে এবং আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ ছাড়া মেয়ের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল বলেও দাবি করেন মরিয়মের বাবা। তিনি বলেন, ‘মেয়ে কখনও কোনো কিছু নিয়ে অভিযোগ করেনি।’
প্রসঙ্গত, দুই স্ত্রীকে নিয়ে ন্যাম ভবনে বসবাস করছিলেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। রোববার সন্ধ্যায় ভবনটির ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম।
ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট। এদিকে মরিয়ম খাতুনের হাতে লেখা বেশ কয়েকটি চিঠিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গত ২০ জুলাই গাজী নজরুল ইসলাম ও মরিয়ম খাতুনের অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার