ডেস্ক নিউজ
সরকার শুরু থেকেই একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণের আস্থা হারিয়েছে এবং ভুলের পর ভুল করে জনগণের অনাস্থা আরও বাড়িয়ে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢাকা-রংপুর লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘এই সরকার শুরুই করেছে ভুল দিয়ে। ভুলের পর ভুল করে সরকার জনগণের অনাস্থা পূর্ণ করে তুলেছে।’
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপির দুটি নতুন নাম দেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপির একটি নাম হবে বিশ্বাস নাই পার্টি বা বিশ্বাসহীন পার্টি, আরেকটা বিশ্বাস নষ্ট পার্টি। আপনারা যদি গুম-খুন ও অন্যান্য অপরাধের বিচার নিশ্চিত না করেন, তাহলে জনগণ আপনাদের নাম দেবে বিচার না করা পার্টি। বিদ্যুৎ দিতে না পারলে জনগণ বলবে- বিদ্যুৎ নাই পার্টি।’
মঞ্জু আরও বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আপনাদের নতুন একটি নাম দিতে বাধ্য হব, বাংলাদেশ নাই নাই পার্টি।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা ছিল পরিবর্তনের পর একটি কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, গুম খুনের শক্তিশালী আইন হবে কিন্তু সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গণভোটের গণরায়কে মেনে নিতে টালবাহানা, জুলাই সনদকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। গুম ও মানবাধিকার নিয়ে প্রতারণার আইন করেছে। এভাবে জনগণের মতামতকে অগ্রাহ্য করে পার পাওয়া যাবে না।’
উদ্বোধনী সমাবেশে ১১ দলীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা, শফিকুর রহমান এমপি, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামনুল হকসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার