ডেস্ক নিউজ
জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দায়িত্ব নেওয়া সরকার কোনো বিদেশি শক্তির চাপের কাছে মাথা নত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
রাশেদ খাঁন বলেন, ‘দিল্লির কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করে সরকার পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই।’
বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার পরিচালনা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ জুলাই গণহত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে। সরকার সেই বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ।’
অন্যায় ও অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সম্পর্কের ধরন নিয়েও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তিনি বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী কিংবা রাখীবন্ধনের মতো সম্পর্ক তৈরির কথা বলত। কিন্তু বাংলাদেশ ও ভারত দুটিই পৃথক ও স্বাধীন রাষ্ট্র। দিল্লির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক মূল্যবোধ, সম্মান ও ন্যায়নিষ্ঠার ভিত্তিতে।’
ভারতের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘কোনো নির্দিষ্ট সরকার বা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।’
তিনি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার