ডেস্ক নিউজ
সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। এখন থেকে দুপুর ১২টার আগে কোনো দর্শনার্থী সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। একই সঙ্গে বিভিন্ন পদে থাকা কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের জন্য দর্শনার্থী পাস দেওয়ার সংখ্যাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
গত ৪ অক্টোবর সচিবালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
সভার কার্যপত্র অনুযায়ী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীরা দিনে সর্বোচ্চ ১০টি দর্শনার্থী পাস দিতে পারবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্যসচিব এবং সিনিয়র সচিব বা সচিবেরা সর্বোচ্চ পাঁচটি পাস দিতে পারবেন। অতিরিক্ত সচিবেরা তিনটি এবং যুগ্মসচিবেরা দুটি পাস দিতে পারবেন।
সচিবালয়ে প্রবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও নিয়ন্ত্রিত করতে প্রতিটি ভবনে পৃথক অ্যাকসেস কন্ট্রোল সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ভবনভিত্তিক প্রবেশাধিকার যাচাই করা হবে।এ ছাড়া বিদেশি দর্শনার্থীদের জন্য পৃথক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হবে। তাদের পরিচয়, আসার উদ্দেশ্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা দপ্তরের তথ্য এবং প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় সংরক্ষণ করতে হবে।
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র সচিবালয়ে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা জোরদার করতেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার