ডেস্ক নিউজ
দেশের প্রশাসনিক প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশ সচিবালয় রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে শেরেবাংলানগরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নতুন সচিবালয় নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান সচিবালয় এলাকায় নতুন কোনো ভবন নির্মাণ না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
গত বুধবার (বুধবার) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সচিবালয় স্থানান্তরের প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করার জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে চিঠি দিয়েছে। প্রকল্পটি নিয়ে শিগগিরই পরিকল্পনা কমিশনে একটি আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন সচিবালয় নির্মাণের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজও চলছে। এরই মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তর প্রস্তাবিত ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি প্রাথমিক নকশা বা লে-আউট তৈরি করেছে।গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, নতুন সচিবালয়ের নকশা প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পরামর্শগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পের পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার