প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ৬, ২০২৬, ১০:১৭ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ৪:৪৮ পি.এম
শার্শা-বাগআঁচড়ায় জহুরা ফিলিং স্টেশনে যৌথ অভিযানে ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ ও দুইজনকে জরিমানা
জাকির হোসেন, বেনাপোল(শার্শা) প্রতিনিধি:
যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া এলাকায় বহুল আলোচিত জহুরা ফিলিং স্টেশনে যৌথ টাস্কফোর্সের অভিযানে ২০০ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। এ সময় অতিরিক্ত জ্বালানি তেল ক্রয়-বিক্রয়ের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজারসহ দুইজনকে মোট ছয় হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মখদুমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দৌলতপুর বিওপির সদস্য এবং শার্শা হাইওয়ে থানা পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।
অভিযানকালে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে পরিবহনকৃত ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল বিক্রির দায়ে জহুরা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারকে ৫ হাজার টাকা এবং অতিরিক্ত তেল ক্রয় ও পরিবহনের দায়ে উপজেলার টেংরা গ্রামের আজগর আলীর ছেলে শাহাবুদ্দিনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত তেলের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৯ হাজার টাকা।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাগআঁচড়ার বিতর্কিত জহুরা ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত লাভের আশায় ছোট-বড় ড্রামে করে পার্শ্ববর্তী সীমান্ত দিয়ে ভারতে তেল পাচার করে আসছিল। টাস্কফোর্সের এ অভিযানে তাদের এ কার্যক্রমে কিছুটা ভাটা পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
খুলনা ব্যাটালিয়ন ২১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকসহ সব ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার