জাকির হোসেন,বেনাপোল(শার্শা) প্রতিনিধি:
যশোরের শার্শা থানা পুলিশ কর্তৃক চলমান বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বাগআঁচড়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও ৩ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলামকে আটক করেছে শার্শা থানা পুলিশ সদস্যরা।
আটক আসামী হলেন, শার্শা থানা বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বাগআঁচড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত কাওসার আলী বিশ্বাসের ছেলে আসাদুল ইসলাম (৫২)।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে আটটার সময় পুলিশ জানায়,শার্শা থানা পুলিশের এসআই শরিফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ শার্শা থানার মামলা নং-৩১, তাং- ২৩/১০/২৪; ধারা- ১৪৩/৩২৩/ ৩২৪/ ৩২৫/৩২৬/৩০৭/ ৩৫৪/ ৩৮৫/৩৮৬/ ৫০৬/১১৪/১০৯ পেনাল কোড এর তদন্তে প্রাপ্ত আসামী আসাদুল ইসলামকে শার্শা থানাধীন বাগআঁচড়া (উত্তরপাড়া) সাকিনস্থ তার নিজ বাড়ী হতে আটক করে।
তিনি শার্শা থানাধীন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের যুবলীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) এর যুগ্ম আহবায়ক ও বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য (মেম্বার)।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শামিনুল হক জানান,আটককৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ প্রক্রিয়াধীন।থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা অব্যাহত আছে।থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বভাবিক আছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার