নিউজ ডেস্ক
গণঅভ্যুত্থানের সময়কার বিভিন্ন ঘটনা ও রাজনৈতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম ও রুমিন ফারহানাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। এসব মন্তব্যকে তিনি ‘দুষ্ট লোকের কথা’ হিসেবে উল্লেখ করে দাবি করেছেন, এগুলো তার নিজের বক্তব্য নয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের সময় ১৯ জুলাই শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠকের পর থেকে দুষ্ট সমন্বয়করা মজা করে হাসনাত আব্দুল্লাহকে ‘হাসিনার আব্দুল্লাহ’ বলে ডাকা শুরু করে। এমন কি ডিবি হেফাজতে যেসময় নাহিদ-আসিফরা মাইর খাচ্ছিলো, সেসময় পুকুর পাড়ে হাসনাত-সারজিসদের জুস খেতে দেখে, দুষ্ট পুলিশ সদস্যরা বলাবলি করছিল, গণঅভ্যুত্থানের রক্তের সাথে বেইমানি করার কারণেই ডিবি হেফাজতে থেকেও বুকে বাতাস লাগিয়ে ঘুরতে পারতেছে হাসানাত-সারজিস!
আর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এনসিপি নেতা হাসিনার আব্দুল্লাহ বিএনপির সাবেক নেত্রী রুমিন ফারহানা আপাকে ‘বিএনপির আওয়ামী বিষয়ক সম্পাদক’ বলার পর থেকে দুষ্ট লোকেরা এখন রুমিন ফারহানা আপার মধ্যে শেখ হাসিনার ছায়া দেখতে পায়। চায়ের দোকানে লোকজন বলাবলি শুরু করেছে, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বয়ানে কথা বলছে স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা আপা। সংসদে আওয়ামী লীগ তথা হাসিনার যোগ্য প্রতিনিধি হয়ে উঠেছেন তিনি!
এগুলো সব দুষ্ট লোকের কথা। কোনোটাই আমার কথা নয়।’
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার