জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
গণমাধ্যমে প্রকাশিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘দেশে প্রত্যেকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। সবারই কথা বলার অধিকার আছে। যে যার মতো করে কথা বলবে, যারা জবাব দেওয়ার দেবে।’
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারে বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
সম্প্রতি একটি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি তার ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সেখানে তিনি দুঃসময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তার পাশে ছিল বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে যথাযথ সহযোগিতা পাননি বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে মন্ত্রীকে জানান সাংবাদিকরা।
রাষ্ট্রপতির এ মন্তব্যের বিষয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়ায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজ গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতির একটি সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে, যেখানে তিনি অনেক প্রসঙ্গ টেনেছেন। বিএনপি প্রসঙ্গ এবং তাকে সহযোগিতা না করার বিষয়েও তিনি কথা বলেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এ মুহূর্তে সাক্ষাৎকারটি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। বিষয়টি আমরা যেভাবে দেখা দরকার সেভাবে দেখিনি। দেখার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে পারবো।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার