ডেস্ক নিউজ
রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে মনসুর খান প্লাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সময় লাগে ১২ ঘণ্টা। গতকাল সোমবার বিকেল ৫টা ৪ মিনিটের দিকে ভবনটিতে আগুন লাগে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, পুরান ঢাকার সরু রাস্তাঘাট এবং ভবনের কাঠামোগত জটিলতার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়েছে।তিনি জানান, রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে মনসুর খান প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুনে মার্কেটটির ছয়তলায় থাকা সব মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।মধ্যরাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেনটেনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের জানান, আগুনের সূত্রপাত হয়েছে গোডাউন থেকে। এসব গোডাউনে কসমেটিকস ও ব্যাগসহ বিভিন্ন মালামাল ছিল। পরে আগুন বিভিন্ন কম্পার্টমেন্টে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি জানান, পুরান ঢাকার সরু রাস্তাঘাট এবং ভবনের কাঠামোগত জটিলতার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়। বিশেষ করে ভারী ও পানিবাহী গাড়ি ঘটনাস্থলে নেওয়া এবং বিভিন্ন কম্পার্টমেন্টে ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগুন নেভানোর কাজ করেন।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের প্রায় ১৫০ কর্মী কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও সহযোগিতা করছেন। সব মিলিয়ে কয়েকশ মানুষ উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমে যুক্ত হোন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার