মাহমুদুল হাসান মুক্তা, জামালপুর প্রতিনিধি।
জামালপুরের মাদারগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, চাঁদা দাবি, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (সেপ্টেম্বর) দুপুরে জামালপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী, মো: রফিকুল ইসলাম, মকবুল হোসেন ও আলম মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, হেমরাবাড়ী পশ্চিমপাড়া গ্রামের জিকু, আলা উদ্দিন, মোশারফ, শফি, খোকন, জগলু ও কুদ্দুছসহ কয়েকজনের সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে । গত ৮ সেপ্টেম্বর তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং পরে হামলার অভিযোগে তিনি আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পিবিআইকে দেন।
তিনি দাবি করেন, পিবিআই তদন্তের বিষয়টি জানার পর প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ফাঁসাতে একটি পুরোনো ও পরিত্যক্ত মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনা সাজিয়েছে। মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় যাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তাদের কয়েকজন ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পাশাপাশি জমি বিরোধ, হামলা, চাঁদা দাবি ও মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার