ডেস্ক নিউজ
আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচ ঘিরে বুয়েন্স এইরেসে যখন উৎসবের আমেজ। তবে এমন অবস্থাতেও নিজের দায়িত্বে পুরোপুরি অটল বেনিনের গোলরক্ষক মার্সেল দানজিনু। তিনি সাফ জানিয়েছেন, মেসিকে সম্মান জানাতে এলেও তাকে কোনো গোল উপহার দিতে তিনি আসেননি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় ভোরে বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামবে আলবিসেলেস্তেরা। বিদায়ী ম্যাচকে সামনে রেখে দলীয় অনুশীলনেও যোগ দিয়েছেন মেসি।
মেসির মুখোমুখি হওয়ার আগে স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দানজিনু বলেছেন, ‘আমি গোলরক্ষক এবং গোল আটকানোই আমার কাজ। ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও যদি আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পায় আর মেসি শট নিতে আসেন, আমি সেটা ঠেকানোরই চেষ্টা করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টা খুবই সোজা, এটা ফুটবল। আমরা এখানে মেসিকে সম্মান জানাতে এসেছি ঠিকই, কিন্তু তাকে কোনো গোল উপহার দিতে হবে— এমন কথা কেউ আমাদের বলেনি। আর মেসিকেও কোনো কিছু উপহার দেওয়ার দরকার পড়ে না। গোল করতে হলে তাকে নিজের সেরাটা দিয়েই গোল করতে হবে।’
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচকে দারুণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন দানজিনু। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এই ম্যাচ অন্য যেকোনো সাধারণ ম্যাচের মতো নয়। যেহেতু এটি মেসির শেষ ম্যাচ, তাই আমার মনে হয়, এটা জীবনে একবারই আসা এক সুযোগ। এটি বিশেষ একটি ম্যাচ। তবে আমরা এখানে আর্জেন্টিনা ও মেসির জন্য এসেছি ঠিকই, কিন্তু আমরা যে নিজেদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি— তা ভুলে গেলে চলবে না।’
দানজিনু বলেন, ‘আমরা বেনিনের হয়ে খেলতে এসেছি। এটা তো ফুটবল, ১১ জনের বিপক্ষে ১১ জনের লড়াই। আমরা জিততে পারি, ম্যাচ ড্র হতে পারে কিংবা ওরাও জিততে পারে। আমরা কিন্তু আর্জেন্টিনায় পর্যটক হয়ে ঘুরে বেড়াতে আসিনি, এসেছি খেলতে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে। আমাদের জীবনে এটি দারুণ একটি দিন হয়ে থাকবে।’
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার