সংবাদ শ্যামল বড়ুয়া ববি
দীর্ঘ ৪৩ বছর যাবত ২১ দিনব্যাপী নিরবিচ্ছিন্নভাবে, কুমিল্লা নগর উদ্যানের জামতলায়, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন, তিন নদী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা, আবুল হাসানাত বাবুল।
কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা, জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার, সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, গবেষক, এনজিও কর্মী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য কৃষ্টি, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ও বাংলা ভাষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করে থাকেন, যার দর্শক শ্রোতা হিসেবে উপস্থিত থাকেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগণ, তাদের অভিভাবকগন সহ সাধারণ মানুষ।
প্রতিষ্ঠার ৪৩ বছরের ধারাবাহিকতায় এবছর ২০ ফেব্রুয়ারি, মাহে রমজানের দ্বিতীয় দিন, ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যতা রক্ষা করে, প্রতিদিনকার মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বর্জন করে, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে,পরিষদের সভাপতি,আবুল হাসানাত বাবুলের সভাপতিত্বে , অধ্যাপক রাহুল তারণ পিন্টুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নারী নেত্রী, স্বনির্ভর সূচনা নারী উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সংস্থা এর সভাপতি, বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক,সুজন কুমিল্লার যুগ্ম সম্পাদক শাহানা হক ।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ডাকাতিয়া পত্রিকার সম্পাদক,কবি, লেখক , নুরুল আলম সেলিম মিয়াজী,সাপ্তাহিক সমতটের কাগজ সম্পাদক,চলচ্চিত্র গবেষক, সাংবাদিক জামাল উদ্দিন দামাল, কুমিল্লা ফুলকলি খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক, কবি, সাদ বিন ইউসুফ ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার