আলেয়া মান্নান
জন্মিলেই মানুষ নয়,
কাজে হতে হয়।
থাকে যদি শিক্ষা শক্তি,
প্রভুর প্রতি ভক্তি।
আদর্শ মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে যেদিন,
প্রকৃত মানুষ তো হবে তুমি সেদিন।
বড়দের সম্মান করো ছোটদের স্নেহ,
তবেই তো মানুষ হবে, ঘৃণা করবে না কেহ।
দ্বীনের পথে চলো নামাজ কায়েম করো।
সবকিছু ছোট ভেবে প্রভুকে মানো বড়।
তবেই যে মানুষ হবে সবার কাছে তুমি,
বিপদেও রক্ষা তোমায়, করবে অন্তর্যামী।
সত্য কথা বলো সদা, সৎ পথে চলো।
দুর্যোগে পড়েও যেন, প্রভুর নামটি বলো।
কভু করিও না, কারও ক্ষতি,
সদয় থাকিও সদা, অন্যের প্রতি।
তবেই মানুষ হবে তুমি একদিন
ন্যায় অন্যায় নিজ থেকে বুঝিবে যেদিন।
মানুষ রূপে না থেকে সঠিক মানুষ হও,
শক্ত শৃঙ্খলে থেকেও,
আল্লাহর নামটি কও।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার