সাজিদ রুবেল (সোনাইমুড়ী) নোয়াখালী
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের ভাওরকোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপন ও এলাকাবাসীর মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন নববর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর গোলাম সারওয়ার মানিক। এ উপলক্ষে গ্রামজুড়ে উৎসবের আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল কাইয়ুম ভূঁইয়া। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ১ নং জয়াগ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহিন উদ্দিন, নববর্ষ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কাজী আনিসুর রহমান, জয়াগ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ভূইয়া ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুল হাই ভূঁইয়া, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার মুজিবুর রহমানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নববর্ষ উদযাপনকে ঘিরে দিনব্যাপী নানা গ্রামীণ খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল সুই-সুতা খেলা, রশি টানাটানি, চেয়ার খেলা এবং সাঁতার প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠান সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে ভাওরকোট গ্রামের পল্লী মঙ্গল পরিষদ, সমাজকল্যাণ পরিষদ, মানব সেবা সংগঠন ও হিলফুল ফুজুল সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা।
উৎসবমুখর পরিবেশে এ আয়োজন স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার