প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ৬, ২০২৬, ১২:১৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ৮:২৬ এ.এম
বেনাপোলে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ-৯ বাংলাদেশীকে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে দেশে ফেরত পাঠালেন-ভারত
জাকির হোসে,বেনাপোল (শার্শা) প্রতিনিধি
ভারতে পাচার হওয়া দুই শিশুসহ-৯ নারী-পুরুষ ও শিশু ভারতের জেলখানায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।
ফেরত আসা নারী-পুরুষরা হলেন— মুক্তা খানম, খাদিজা, আয়েশা, জাহানারা বেগম, রুকসানা, তাপস মন্ডল, আশিক মোল্লা, তন্ময় সরকার ও রামকৃষ্ণ বচার। তারা দেশের নড়াইল, রাজবাড়ি, খুলনা বরিশাল জেলার বাসিন্দা।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, ভালো কাজের আশায় দালালচক্রের খপ্পরে পড়ে দুই শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে সীমান্ত পথ দিয়ে ভারতে যায়। সেখানে তারা বিভিন্ন বাসাবাড়িতে এবং খেত খামারে কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে পুলিশ তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
এরপর সাজাভোগ শেষে বেসরকারি একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদেরকে ছাড়িয়ে নিজস্ব শেল্টার হোমে রাখেন। ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে শনিবার সন্ধ্যায় তারা দেশে ফিরেছেন। তাদেরকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।
যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম বলেন, ফেরত আসা নারী-পুরুষ ও শিশুদের আপাতত সংস্থাটির নিজস্ব শেল্টার হোমে রাখার পর তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার