মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি ও প্রোফাইল ব্যবহার করে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিরামপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মো. পলাশ বিন আশরাফী।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিরামপুরের ক্যাফে ডিলাইট রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পলাশ বিন আশরাফী বলেন, আগামী বিরামপুর পৌরসভা মেয়র নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে তিনি আগ্রহী এবং এ লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। এরই মধ্যে তাকে সামাজিক, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন এবং তার সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি ও প্রোফাইল থেকে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব অপপ্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার সম্পর্কে ভুল ও বিভ্রান্তিকর ধারণা সৃষ্টি করার পাশাপাশি তার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিরামপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও জানান পলাশ বিন আশরাফী। জিডিতে তিনি কয়েকটি ফেসবুক আইডি ও প্রোফাইলের নাম উল্লেখ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট পোস্টের স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করার কথা জানিয়েছেন।
পলাশ বিন আশরাফী আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এর কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।এ সময় তিনি অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার কথাও জানান।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার