ডেস্ক নিউজ
আর্জেন্টিনার জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের আরেকটি অধ্যায় শেষ করলেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচে ৩-০ গোলের জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। দলের জয়ে এক গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট করেছেন ৪০ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন তারকা।
ম্যাচের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া ছিলেন মেসি। প্রথমার্ধে অফসাইডের কারণে একটি সুযোগ নষ্ট হওয়ার পর সাত গজ দূর থেকে ফাঁকা গোল পেয়েও বল বাইরে মেরে বসেন তিনি। তবে সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
বেনিনের ডিফেন্ডারের ফাউলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পটকিক নিতে এসে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান মেসি। গোলরক্ষক ডান দিকে ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি।গোলের পরও আক্রমণে সক্রিয় ছিলেন মেসি। গোললাইন থেকে বল বাঁচাতে পুরো গতিতে ছুটে যাওয়ার দৃশ্যেও নিজের প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার পরিচয় দেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে মেসির পাস থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা। বক্সের বাইরে থেকে নিকো পাজকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। পাজ বাঁকানো শটে বল জালে পাঠিয়ে আর্জেন্টিনাকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।শেষ দিকে ফ্রি-কিক থেকেও গোলের চেষ্টা করেন মেসি। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া তার শট অবশ্য বেনিনের গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেন। পরে আর্জেন্টিনা আরও এক গোল করে ম্যাচটি ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয়।
মেসির ক্যারিয়ারের শেষ দিকটায় আগের মতো দীর্ঘ দৌড় কিংবা একক প্রচেষ্টার চেয়ে সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচেও তারই প্রতিফলন দেখা গেছে। এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের আরেকটি অধ্যায় শেষ করলেন তিনি।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার