মোঃ শরিফুল ইসলাম, দাউদকান্দি প্রতিনিধি।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের বিরবাগগোয়ালী গ্রামের খিরাই খালের ওপর নির্মিত মঈনুল মার্কেট-দুর্গাপুর কাঠের ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রিজ পার হচ্ছেন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ। ইতোমধ্যে ব্রিজ পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন এক নারী। গুরুতর আহত ওই নারী টানা ২১ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর দাবি, ব্রিজটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ও নড়বড়ে হয়ে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয়রা জানান, এই স্থানে ৪০ ফুটের একটি গার্ডার সেতু নির্মাণের জন্য কুমিল্লা-১ আসনের এমপি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডিও লেটার দিয়েছেন। তবে নতুন সেতুর নির্মাণকাজ কবে শুরু হবে, তা নিশ্চিত নয়।
তাই স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে পুরোনো কাঠের ব্রিজটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার