সাজিদ রুবেল
নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ২নং নদোনা ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান ও সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন সানির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রপাগান্ডা এবং রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টায় সোনাইমুড়ী উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন সানির রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে।
এতে বিশেষভাবে তৌহিদ গংদের দায়ী করে বক্তারা দাবি করেন, তারা আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এসব অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ২নং নদোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. তাজুল ইসলাম, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব শহীদ উল্লাহ রাজন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক, সোনাইমুড়ী উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব অমর শরীফ সোহাগ, ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি নূর মোহাম্মদ মমো, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ মোস্তফাসহ নদোনা ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার