আলেয়া মান্নান
ভালোবেসে নাই বা দিলি,একটি গোলাপ ফুল।
তাই বলে কি ভাবছিস তোকে,বুঝব আমি ভুল?
চিঠি লিখতে গিয়ে নাহয়, করলি বানান ভুল।
তাই বলে কি হারিয়ে ফেলব, চিঠির অর্থের মূল!
ভালোবেসে নাই বা দিলি, সাত সমুদ্র পাড়ি
তবুও তো আমি তোকে, ভালোবাসতে পারি।
ভুল না হয় করবি তুই, পরের লোকের বশে।
তবু যে আমি তোকে, যাই ভালোবেসে।
তুই না হয় নিভিয়ে দিলি, ভালোবাসার আলো।
তবুও তো আমি তোকে, বাসতে পারি ভালো।
না হয় সবাই বলে তোকে, বিচ্ছিরি আর কালো।
তবুও যে তোকে আমি, বাসতে পারি ভালো।
সময়ে অসময়ে আমি, তোকেই শুধু ভাবি।
তুই যে আমার মনের ঘরের, একটাই মাত্র চাবি।
যতই করুক সবাই মিলে, তোকে অবহেলা।
আমি যে ততোই ভাবি, তোকে সারাবেলা।
মন আমার যখন তখন, তোকে শুধু চায়।
তোর কথা ভাবতে গিয়ে, কান্না ভীষণ পায়।
সবাই যদি ভীষণভাবে, ঘৃণা করে তোকে।
তবুও আমি ভালোবেসে, জড়িয়ে রাখব বুকে।
কেঁদে কেঁদে তোর জন্য, ভাসি নয়ন জলে।
ভাসতে গিয়েও ডুবি আবার, সেই জলের তলে।
তোকে না হয় ভুল বুঝে, সবাই ছেড়ে গেলো।
সব শেষেও পাশে আমি, থাকব বেসে ভালো।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার