ডেস্ক নিউজ
জার্সি উন্মোচনের আগেই নতুন বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সি ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক আগ্রহ। নকশা কেমন হবে, দাম কত—এসব নিয়ে চলছিল নানা আলোচনা। অবশেষে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের নতুন হোম ও অ্যাওয়ে কিট। একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে জার্সির দাম ও বিক্রির পরিকল্পনা।
নতুন অফিসিয়াল জার্সির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর সংযুক্ত জার্সি কিনতে খরচ হবে ১ হাজার ৭০০ টাকা। বিষয়টি জানিয়েছেন জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান দৌড়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবিদ আলম।
গত মাসেই নতুন জার্সি উন্মোচনের কথা থাকলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালের উপস্থিতিতে নতুন হোম ও অ্যাওয়ে কিট উন্মোচন করা হয়।
জার্সি উন্মোচনের পর আবিদ আলম বলেন, আগের তুলনায় নতুন জার্সির দাম কিছুটা বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ উন্নতমানের কাপড় ব্যবহার। এর সঙ্গে উৎপাদন, বিপণন ও বিতরণেও উল্লেখযোগ্য ব্যয় রয়েছে।
জার্সি বিক্রি থেকে বাফুফে বড় অঙ্কের রয়্যালটি পায় বলেও দাবি করেন তিনি। তবে রয়্যালটির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ প্রকাশ করেননি আবিদ।
জার্সির দাম বেশি কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে আবিদ বলেন, ‘আমার মনে হয় না এটা খুব বেশি দাম। আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায়ও এটি প্রতিযোগিতামূলক।’
তার দাবি, তার জানা মতে নতুন বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সিই বিশ্বের সবচেয়ে কম দামের জাতীয় দলের জার্সি।
তবে তুলনামূলক কম দামে জার্সি কিনতে আগ্রহী সমর্থকদের জন্য থাকছে ‘ফ্যান এডিশন’। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০০ টাকা, যা আগের সংস্করণের সমান। তবে ভবিষ্যতে এই জার্সির দাম সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবিদ।
নতুন জার্সি শুধু অনলাইনে বিক্রি করা হবে না। দেশের বিভিন্ন ফিজিক্যাল আউটলেটের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও জার্সি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান দৌড়ের।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার