বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজার সদর উপজেলার উদ্যোগে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের শাহাদাত কবুল এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
৪ জুন শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার একটি এতিমখানায় এই মানবিক কার্যক্রম আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা হারুনূর রশিদ তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আমীর মোঃ ফখরুল ইসলাম, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও ১২নং গিয়াসনগর ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ শাহানূর আহমদ, উপজেলা মজলিসে শূরা সদস্য ও ১১নং মোস্তফাপুর ইউনিয়ন সভাপতি মোয়াজ্জিম হোসেন জুয়েল, ১২নং গিয়াসনগর ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মোঃ জিল্লুর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন,
“বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের শহীদরা দেশের জন্য যে আত্মত্যাগ করেছেন, তা জাতি কখনো ভুলবে না। তাদের শাহাদাতের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষার প্রেরণা পাই। আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।”
অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার