ডেস্ক নিউজ
ব্যালন ডি’অর নিয়ে নিজের অবস্থান বেশ স্পষ্টভাবেই জানালেন লামিনে ইয়ামাল। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারের লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিজের সমকক্ষ মনে করছেন বার্সেলোনার এই তরুণ ফরোয়ার্ড। সরাসরি লড়াইয়ের প্রসঙ্গ টেনে ইয়ামালের দাবি, পারফরম্যান্সের প্রায় সব দিকেই তিনি এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে গেছেন।
ব্যালন ডি’অর প্রসঙ্গে ইয়ামাল বলেন, পুরস্কারটি তিনি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়কেই দিতে চান। তবে সেই সেরা খেলোয়াড় কে, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতেই পারে। তার মতে, এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের তালিকায় তিনি ও এমবাপ্পে দুজনই রয়েছেন।
ইয়ামাল বলেন, ‘এমবাপ্পে ও আমি বিশ্বের সেরা, যারা আমাদের ম্যাচ দেখে, তারা সবাই এটা জানে। আমাদের মুখোমুখি লড়াই হয়েছে এবং সেখানে আমি তাকে সবকিছুতেই হারিয়েছি। সে অনেক গোল করেছে, আর এ কারণেই সে পিচিচি পুরস্কার জিতেছে।’
বিশ্বকাপ জয়ের ওপর ভিত্তি করে ব্যালন ডি’অর দেওয়ার ধারণাও নাকচ করে দিয়েছেন তরুণ এই তারকা। ইয়ামাল বলেন, একটি মাত্র টুর্নামেন্টের পারফরম্যান্স দেখে কাউকে এই পুরস্কার দেওয়া উচিত নয়। তবে কাকতালীয় বিষয় হলো, আমার দলও বিশ্বকাপ জিতেছে। এমনকি ইংল্যান্ডও যদি বিশ্বকাপ জিততো, তবুও আমি বলতাম বর্তমান বিশ্ব ফুটবলে এমবাপ্পে এবং আমিই সেরা।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার