সাব্বির হোসাইন
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা
কুমিল্লার বরুড়ায় অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা সেবনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুইজনকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার (১২ জুলাই) বরুড়া থানা পুলিশের সহায়তায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বরুড়া থানা পুলিশ জানায়, রবিবার বরুড়া পৌরসভা ও পাঠানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা সেবনের সময় শাহীন আলম (২৭) ও বাহার (৪২) নামের দুইজনকে আটক করা হয়। আটক শাহীন আলম বরুড়া পৌরসভার শাহজাহানের ছেলে এবং বাহার পাঠানপাড়া এলাকার মৃত হারুনুর রশিদের ছেলে।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাফিজ তাদের ইয়াবা সেবনের অপরাধে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
বরুড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কাজী নাজমুল হক বলেন, "মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে বরুড়া থানা পুলিশের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। মাদক নির্মূলে আমাদের এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। যারা মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এলাকাবাসীর সহযোগিতা পেলে আমরা মাদকমুক্ত বরুড়া গড়তে পারবো।"
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার