ডেস্ক নিউজ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ইয়াবা সেবনের সময় আটক দুজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাদের ২৬ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ধুরুং এলাকা থেকে মো. ফরহাদ হোসেন এবং ফটিকছড়ি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ রাঙ্গামাটিয়া এলাকা থেকে মাহমুদুল হককে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়।
পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ফরহাদ হোসেনকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মাহমুদুল হককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানে তাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে। দুইজনকে মোট ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২৬ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জব্দ করা মাদকদ্রব্য পরে বিনষ্ট করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ফরহাদ হোসেন উত্তর ধুরুং এলাকার মৃত ফরিদ উদ্দিনের ছেলে। মাহমুদুল হক ফটিকছড়ি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ইউসুফের ছেলে।
ফটিকছড়ি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্যাহ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার